• বুধবার   ০৩ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২১ ১৪২৭

  • || ১১ শাওয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
স্বাস্থ্য বিধি মানা হচ্ছে না, সংক্রমণের আশঙ্কা রাজস্থলীতে রাঙামাটিতে শতভাগ মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিতসহ সামাজিক দূরত্ব ও বাজার মনিটরিংয়ে মাঠে নেমেছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন নানিয়ারচরে অসহায় ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে ত্রাণের চাল বিতরণ কাউখালীতে জনপ্রতিনিধিদের মাঝে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম বিতরণ রাঙামাটিতে এনজিও গুলোর ঋণ আদায় কার্যক্রম শুরু, বিপাকে ঋণ গ্রহীতরা
২২৮

আম্ফান মোকাবিলায় চট্টগ্রামে প্রস্তুত চার হাজার আশ্রয়কেন্দ্র

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ১৯ মে ২০২০  

আশ্রয়কেন্দ্র (ফাইল ছবি)


ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবিলায় চট্টগ্রামে প্রস্তুত রাখা হয়েছে তিন হাজার ৯৯৮টি আশ্রয়কেন্দ্র। এরইমধ্যে উপকূলীয় এলাকার লোকজনদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের ডিসি মো. ইলিয়াস হোসেন বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিষয়টি মাথা রেখে আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত করা হচ্ছে। এছাড়া সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সাতকানিয়া, বাঁশখালী, আনোয়ারা, পতেঙ্গা, সীতাকুণ্ডসহ উপকূলীয় এলাকার লোকজনদের রাখা হবে।

ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমের প্রতিবেদন অনুযায়ী সম্ভাব্য দুর্যোগে ত্রাণ কার্যক্রম চালানোর জন্য প্রায় ২৯ মেট্রিক টন চাল, দুই লাখ ২০ হাজার টাকা, ১৩৩ বান্ডিল ঢেউটিন, ৩০০ প্যাকেট শুকনো খাবার ও ৫০০ তাঁবু মজুত রয়েছে।

এছাড়া আরো এক হাজার মেট্রিক টন চাল, ৫০ লাখ টাকা, ২০ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ৫০০ বান্ডিল ঢেউটিন বরাদ্দ চেয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে।

এদিকে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জনের উদ্যোগে ২৮৪টি মেডিকেল টিম, দুই লাখ পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, দেড় লাখ খাবার স্যালাইন ও পর্যাপ্ত জরুরি ওষুধ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রামের এডিসি (রাজস্ব) মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবিলায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সেবা সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনীসহ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি কন্ট্রোল রুমও চালু করা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের দেয়া সর্বশেষ তথ্যমতে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ‘সুপার সাইক্লোনে’ পরিণত হয়ে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১০৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ৯৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে ও পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৯৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৯০ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার। যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ২৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। ‘সুপার সাইক্লোন’ ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ অবস্থায় রয়েছে।

মঙ্গলবার শেষ রাত থেকে বুধবার বিকেল বা সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে এই সুপার সাইক্লোন।

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি
সারাদেশ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর