ব্রেকিং:
রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলাতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ১ জন, মোট আক্রান্ত ৬৯ জন
  • শুক্রবার   ০৫ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২২ ১৪২৭

  • || ১২ শাওয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
পাহাড়ের প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান রয়েছে: দীপংকর তালুকদার রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সর্তকতামূলক সাইনবোর্ড ও লিফলেট বিতরণ নানিয়ারচরে অসহায় ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে ত্রাণের চাল বিতরণ রাজস্থলীতে ৫০ শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ড্রেস বিতরণ প্রশংসনীয় ব্যতিক্রমী উদ্যোগঃ কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে স্বয়ংক্রিয় জীবাণুনাশক ট্যানেল স্থাপন
৯৮৫

করোনা আতঙ্কের মধ্যেই ধেয়ে আসছে ভয়ংকর গ্রহাণু

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল ২০২০  

২৯ এপ্রিল একেবারে পৃথিবীর কক্ষপথের কাছ থেকে প্রবাহিত হয়ে যাবে গ্রহাণুটি


বিশাল এক গ্রহাণু ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। করোনাভাইরাসের মাঝে ‘ভয়ংকর’ এই গ্রহাণুর খবর নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে বিজ্ঞানীদের মধ্যে। ২৯ এপ্রিল একেবারে পৃথিবীর কক্ষপথের কাছ থেকে প্রবাহিত হয়ে যাবে এটি। এ গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর ধাক্কা লাগলে লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে। এমনকি সুনামি, ভূমিকম্প ও প্রবল ঝড়ের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে নাসা।

অনেকদিন ধরেই গ্রহাণুটির ওপর নজর রাখছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। তারা এর নাম দিয়েছেন ‘অ্যাস্ট্রয়েড ৫২৭৬৮’। নাসা জানিয়েছে, ২৯ এপ্রিল এই বিশাল গ্রহাণু পৃথিবীর ৬৩ লাখ মিলিয়ন কিলোমিটারের মধ্যে চলে আসবে, যা পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্বের প্রায় ১৬ গুণ। আর নাসার এই ঘোষণার পরই বিশ্বজুড়ে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মধ্যে এক ধরণের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

গ্রহানুটি যদি পৃথিবীর এত দূর দিয়ে চলে যায়, তাহলে ভয় কীসের? সেটা বুঝতে ৬.৬ কোটি বছর পেছনের অধ্যায় উল্টোতে হবে। ওই সময় মেক্সিকোর উত্তরে একটি বিশালাকায় গ্রহাণু এসে পড়েছিল। তাতেই বিশাল সংখ্যক ডাইনোসরের মৃত্যু হয়েছিল। আর যে ধুলোর ঝড় উঠেছিল, তাতে ঢেকে গিয়েছিল পুরো পৃথিবী। যার ফলে পরের দশ বছর প্রায় পৃথিবীতে সূর্যালোক সেভাবে পৌঁছায়নি।

 

‘অ্যাস্ট্রয়েড ৫২৭৬৮’

 

নাসা ছাড়াও ইউরোপিয়ান মহাকাশ গবেষণা সংস্থাও (ইসা) এই গ্রহাণুটিকে কড়া পর্যবেক্ষণে রাখছেন। আর তাদের মতে, এই গ্রহাণু থেকে পৃথিবীর কোনো ধরনের ক্ষতিসাধন হওয়ার সম্ভাবনা বেশ কম। তাহলে এই গ্রহাণুকে সম্ভাব্য ক্ষতিকর বলা হচ্ছে কেন? এ সম্পর্কে নাসা বলছে, শেষ মুহূর্তে যদি কোনো কারণে এর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে যায়, সেজন্যই সম্ভাব্য ক্ষতিকর বলা হচ্ছে। এই সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না।

আনুমানিক ১.১ থেকে ২.৫ মাইল ব্যাস বিশিষ্ট এই গ্রহাণুটি ঘণ্টায় ২০ হাজার মাইল বেগে পৃথিবীর কক্ষপথের কাছ দিয়ে ধেয়ে যাবে। যার প্রভাবে পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রে একটি পরিবর্তন আসতে পারে বলে বিজ্ঞানীদের অনেকেই মনে করছেন। একই সঙ্গে পৃথিবীর কিছু জায়গা সাময়িক সময়ের জন্য সূর্যের আলো থেকে বঞ্চিত হতে পারে বলে মনে করছেন কয়েকজন বিজ্ঞানী।

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর