ব্রেকিং:
রাঙামাটিতে নতুন করে ২ জন করোনায় আক্রান্ত, এনিয়ে মোট আক্রান্ত ৫৮ জন
  • শুক্রবার   ২৯ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪২৭

  • || ০৫ শাওয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
কাপ্তাইয়ে এক আনসার সদস্যের করোনা পজিটিভ বাঘাইছড়িতে কৃষকের কাছ থেকে বোরো ধান সংগ্রহের লটারি অনুষ্ঠিত করোনায় স্কুল বন্ধ কাপ্তাইয়ে অনলাইন ক্লাসের জনপ্রিয়তা বাড়ছে মুষলধারে বৃষ্টি, কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধ্বসের আশংকা করোনা প্রতিরোধে রাঙামাটি রেড ক্রিসেন্টের ৯০ লাখ টাকার ‘নগদ অর্থ সহায়তা’ প্রদান
২১৭

করোনা টেস্টে কি রোজা ভেঙে যাবে?

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ৭ মে ২০২০  

ফাইল ফটো


রোজা অবস্থায় করোনাভাইরাস টেস্ট করানোর দ্বারা রোজার কোনো ক্ষতি হবে কিনা বিষয়টি অনেকে জানতে চান। সম্প্রতি এমন এক প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন দারুল উলুম দেওবন্দ।

উত্তর যেহেতু নির্দিষ্ট পদ্ধতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, তাই যাদের পরীক্ষা প্রশ্নে বর্ণিত পদ্ধতিতে হবে তারাই এই বিধানের আওতাভূক্ত হবে। অন্য কোনো পদ্ধতিতে পরীক্ষা হলে তা নতুনভাবে জেনে নিতে হবে।

প্রশ্ন : রোজা রেখে করোনা পরীক্ষা করার দ্বারা রোজা ভেঙে যাবে?

উত্তর : করোনাভাইরাস পরীক্ষা করার জন্য নাকের এবং গলার ভেতরে লেগে থাকা আদ্রতা নেয়ার জন্য একটি প্লাস্টিকের স্টিক প্রবেশ করানো হয়। এই স্টিকে বা তাতে লাগানো তুলার মাঝে কোনো ধরনের ওষুধ বা কেমিক্যাল মিশানো হয় না। আর ভাইরাস পরীক্ষার এই স্টিকটি শুধুমাত্র একবার গলা এবং নাকের ভেতরে ঢুকিয়ে ঘুরানো হয়। দ্বিতীয়বার এটা আর ভেতরে প্রবেশ করানো হয় না। অর্থাৎ নাক এবং গলার আদ্রতা গ্রহণের ক্ষেত্রে, গলা অথবা মাথায় কোনো ধরনের ওষুধ বা কেমিক্যাল প্রবেশ করানো হয় না। শুষ্ক তুলার মাধ্যমে গলা এবং নাকের আদ্রতা গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে সংগৃহিত নমুনাকে মেশিনের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়। তাই রোজা রাখা অবস্থায় করোনাভাইরাস পরীক্ষা করার জন্য নাক এবং গলার আদ্রতা দিতে কোনো সমস্যা নেই। এতে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না।

এ ব্যাপারে বাদায়েউস সানায়েতে বলা হয়েছে, ‘শরীয়তে রোজা ভঙ্গ হওয়ার বিষয়টি শরীরে কোনো কিছু প্রবেশ করার সঙ্গে সম্পর্কিত। হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, রোজা ভঙ্গ হয় (শরীরে) কোনো কিছু প্রবেশ করার কারণে। আর ওজু ভঙ্গ হয় (শরীর থেকে) কোনো কিছু বের হওয়ার কারণে। (বাদায়েউস সানায়ে, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-৬২৫)।

ফতোয়ায়ে শামীতে বলা হয়েছে, ‘কোনো রোজাদার যদি কাঠ বা সুতা গিলে ফেলে এবং সেটা গলার ভেতরে অদৃশ্য হয়ে যায় তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। অন্যথায় রোজা ভাঙ্গবে না। অর্থাৎ কোনো বস্তু পেটে চলে যাওয়ার দ্বারা যদি সেটা দেখা না যায়। তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, কোনো বস্তু ভেতরে স্থির হয়ে যাওয়া। আর যদি কোনো বস্তু ভেতরে গিয়েও বাহিরে তার কিছু অংশ বাকি থাকে। অথবা তার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো কিছু বের হয়ে থাকে। তাহলে এর দ্বারা রোজা ভাঙ্গবে না। ভেতরে সে বস্তুটা স্থির না হওয়ার কারণে। (রদ্দুল মুহতার, খণ্ড-৩, পৃষ্ঠা-৪২৪)।

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি