ব্রেকিং:
রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলাতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ১ জন, মোট আক্রান্ত ৬৯ জন
  • শুক্রবার   ০৫ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২২ ১৪২৭

  • || ১২ শাওয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
পাহাড়ের প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান রয়েছে: দীপংকর তালুকদার রাঙামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সর্তকতামূলক সাইনবোর্ড ও লিফলেট বিতরণ নানিয়ারচরে অসহায় ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে ত্রাণের চাল বিতরণ রাজস্থলীতে ৫০ শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ড্রেস বিতরণ প্রশংসনীয় ব্যতিক্রমী উদ্যোগঃ কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে স্বয়ংক্রিয় জীবাণুনাশক ট্যানেল স্থাপন
২২৮

করোনা প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল ২০২০  


করোনার কারণে মানুষের মাঝে যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে সেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। যে কোনো মহামারিতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হয়। এটা একটি বৈশ্মিক সমস্যা। সবাই মিলে কাজ করতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ দুর্যোগ নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের দিকনির্দেশনা আমাদের আতঙ্ক মুক্ত করতে পারে। তাই করোনা প্রতিরোধে জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।

করোনার প্রভাবে আমাদের যাপিত জীবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের সর্বত্র এক আতঙ্ক দেখা দিয়েছে; এ আতঙ্ক কাটছে না। সারা পৃথিবীতে কোভিড-১৯ অর্থাৎ করোনাভাইরাস ক্রমান্বয়ে দ্রম্নতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। লাখ লাখ মানুষ যেমন আক্রান্ত হচ্ছে তেমনি হাজার হাজার মানুষ মারাও যাচ্ছে। করোনা গোটা পৃথিবীতে মহামারি আকার ধারণ করলেও বাংলাদেশে এখনো সে পর্যায়ে যায়নি। তবুও আমাদের কোনো স্বস্তি নেই। আমরা বিপদমুক্ত নই। কেননা, বাংলাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃতু্য বাড়ছে। আমাদের অসচেতনতার কারণেই করোনা নিয়ে আমরা বিপদমুক্ত নই।

আমাদের ভয় ও আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না। আমরা ছাত্র জীবনে ভয়, আতঙ্ক ও রক্তপাতের ইতিহাস পড়েছি। চেঙ্গিস খান, হালাকু খানের বাগদাদসহ মানবসভ্যতার ধ্বংসের ইতিহাস পড়েছি। বাগদাদের রক্তের বন্যা দেখেছি। ঘরে ঘরে মানুষের কান্নার আওয়াজ শুনেছি। নাদির খানের দিলিস্ন অভিজানের কথা জেনেছি। ভয়ে মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করেছিল। নিকট ইতিহাস- বিশ্বযুদ্ধে হিটলারের আক্রমণের ইতিহাস পড়েছি। কিন্তু সেই যুদ্ধ ছিল সীমাবদ্ধ শুধু ইউরোপে। কিন্তু করোনাভাইরাসের বিস্তার ব্যাপক। এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশে বিস্তার লাভ করেছে। এ যেন এক মহামারি পাগলা ঘোড়ার মতো ছুটে চলেছে। করোনা এমন এক ভাইরাস যা স্থান, কাল, শত্রম্ন মিত্র, ধর্ম ও বর্ণ কিছুই মানছে না। চীনের উহান প্রদেশ থেকে শুরু হয়ে আমেরিকা, ইতালি, স্পেন, ইরান, ফ্রান্স, জার্মান, দক্ষিণ কুরিয়া জাপানসহ পৃথিবীর বহু দেশে ছড়িয়ে পড়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এ ভাইরাসের ছোবল থেকে গোটা বিশ্ব যে দ্রম্নত বাঁচবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। কারণ এ ভাইরাসের ভাকসিন টিকা বা ওষুধ এখনো তৈরি হয়নি। জাপান ও চীন ইতোমধ্যে এ ভাইরাস শনাক্ত করনে কিট আবিষ্কার করেছে। চীন বাংলাদেশকে কিট সরবরাহ করছে। তবে গবেষকরা এ ভাইরাসের জেনিটিক কোডিং নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। সবচেয়ে বড় কথা হলো করোনা শনাক্তকরণের ল্যাবের সংখ্যা আরো বাড়াতে হবে। মরণঘাতক করোনা এক আতঙ্কের নাম। এ ভাইরাস নিয়ে সমাজে দেখা দিয়েছে ভয়, ভীতি। দ্রম্নত এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বিশ্বে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও কয়েকটি জেলায় সরকার লকডাউন ঘোষণা করেছেন।

প্রশ্ন হচ্ছে বাংলাদেশের জন্য করোনাভাইরাসের বিপদ কতটা। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভয়ের কোনো কারণ নেই। কিন্তু ভয়তো আমাদের রয়েছে। কারণ এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা যেমন বাড়ছে তেমনি মৃতু্যও। অতিতে ইবোলা, সোয়াইনফ্লুসহ অন্যান্য ভাইরাসের চেয়ে করোনাভাইরাসের মৃতু্যর হার অনেক বেশি। শিশু ও বয়স্কদের এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেশি। শুধু মাস্ক পরলেই চলবে না ঘন ঘন মাস্ক পরিবর্তন করতে হবে। বহু লোকের সমাগম এড়িয়ে চলা, গা ঘেঁষাঘেঁষি, করমর্দন ও কোলাকুলি না করা। জীবাণু দূর করে এমন সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলা। হাঁচি ও কাশিতে রুমাল বা টিসু দিয়ে মুখ ডাকা। সর্বোপরি সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা। এ নিয়মগুলো মেনে চললে এ ভাইরাসের আক্রমণ থেকে অনেকটা রক্ষা পাওয়া যাবে বলে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন।

বিশ্বের যেসব দেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে সে দেশগুলোর মধ্যে ইতালি ও যুক্তরাষ্ট্র এখন শীর্ষে। তবে আমাদের আতঙ্কের বিষয় হলো কয়েকজনের মৃতু্য ও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া। করোনাভাইরাস শনাক্ত করা এক জটিল প্রক্রিয়া। দেশের সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভাইরাসটির শনাক্তের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত জনশক্তি ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নেই। তাই কেউ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বা সন্দেহ হলে সরকারের রোগতত্ত্ব্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসি আর) এর শরণাপন্ন হতে হবে। তবে ইতোমধ্যে এ ভাইরাসের কিট ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য হাসপাতার গুলোতেও সরবরাহ করা হচ্ছে। অথচ করোনা বা কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ বা প্রতিরোধ করার প্রধান কাজ হচ্ছে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সবার কাছ থেকে আলাদা করে রাখা। এ কারণেই আক্রান্ত ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টাইনে বা আইসোলেশনে রেখে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা। তবে উপসর্গ দেখা দিলেই ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলেও সত্য যে, আমাদের দেশে কিছু ডাক্তার করোনা আতঙ্কে আছেন। কোনো রোগী এলেই মনে করেন রোগী করোনায় আক্রান্ত তাই চিকিৎসা না দিয়ে ফিরিয়ে দেন এমন নজির রয়েছে। একজন মুক্তিযোদ্ধা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র চিকিৎসা নিতে এলে চিকিৎসা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। শেষ পর্যন্ত বিনা চিকিৎসায় তারা মারা যান, এটা খুবই দুঃখজনক। অথচ ঢাবির ছাত্র করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিল না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট ডাক্তারদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। যেহেতু এ ভাইরাসটি বাংলাদেশেই শুধু নয়, সারা পৃথিবীতে ভয়ভীতি, আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে, তাই করোনার হাত থেকে বাঁচতে অবশ্যই আমাদের সতর্কতা ও সাবধানতা অবলম্বনের কোনো বিকল্প নেই। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে চলতে হবে।

করোনা ভাইরাস বিশ্বে দ্রম্নত ছড়িয়ে পড়ায় এ সংক্রামক ব্যাধিকে ইতোমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বৈশ্বিক মহামারি হিসেবে দেখছেন। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে বাংলাদেশ সরকার নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। ছোঁয়াছে এ ভাইরাস থেকে বাঁচতে আমাদের যথেষ্ঠ সচেতনতার অভাব রয়েছে। কেননা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে সতর্ক ও সচেতন করার জন্য বারবার নির্দেশনা দিচ্ছেন। অতি প্রয়োজন না হলে ঘরের বাইরে না যাওয়া, যদি যেতেই হয় সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা ইত্যাদি। কিন্তু এ ধরনের নির্দেশনাগুলো আমরা মানছি না। বিগত কয়েকদিন আগে গার্মেন্টসকর্মীরা চাকরি হারানোর ভয়ে যেভাবে গ্রাম থেকে পায়ে হেঁটে, বাস বা ট্রাকে করে ঢাকামুখী হয় এবং এ দৃশ্যগুলো যখন আমরা টেলিভিশনের বিভিন্ন চ্যানেলে দেখি, তখন মনেই হয় না দেশে কোনো করোনাভাইরাস আছে, লকডাউন আছে। গা ঘেঁষাঘেঁষি, হাত ধরাধরি করে যেভাবে পোশাককর্মীরা হাঁটছে তাতে মনে হয় তারা কোনো আনন্দ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য বের হয়েছে। গ্রামে আসা, গ্রাম থেকে আবার শহরমুখী হওয়া এতে কি বলা যাবে না কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়নি বা কেউ করোনার জীবাণু বহন করছে না। যেখানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে লকডাউন এবং কারফিউ জারি করা হয়েছে সেখানে বাংলাদেশে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়, ঢাকায় লকডাউন চলছে তখন কীভাবে পোশাক শিল্পের মালিক বা কর্তৃপক্ষরা ৫ এপ্রিল কারখানা খোলার ঘোষণা দেয়? আর এ ঘোষণায় দেশের হাজার হাজার পোশাক শ্রমিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চাকরি বাঁচাতে ঢাকামুখী হতে বাধ্য হয়। পোশাক মালিকদের সরকারের নির্দেশনা অমান্য করা বা স্বেচ্ছাচারিতা যে, প্রকারন্তরে বিপদের সম্ভাবনা কী বাড়িয়ে দিলেন না? সরকারও কঠোর হলেন। ঢাকায় ঢোকা ও বের হওয়া একেবারেই বন্ধ করে দিয়েছেন। ইতোমধ্যে যারা ঢাকায় গিয়েছেন বিশেষ করে পোশাককর্মী তাদের কী হবে? সরকারি ঘোষণা ছাড়াই তারা কীভাবে ঢাকায় ফিরে আসা শুরু করে এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যেখানে আক্রান্তের খবর আসবে সেখানেই লকডাউন। ঢাকায় কেউ যেন ঢুকতে না পারে বের হওয়ার ও কোনো প্রয়োজন নেই। মানুষকে আগে বাঁচানোর চেষ্টা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী এ দুর্যোগ কাটিয়ে উঠতে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন এবং বেশকিছু নির্দেশনাও দিয়েছেন। কিন্তু আমরা সে নির্দেশনা অনুযায়ী চলছি না। আমরা যদি একটু সচেতন হই তাহলে এ ভাইরাস থেকে অনেকটা নিরাপদে থাকা যাবে। নিজেদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি দুটি বিষয়ে আমাদের সচেতন হওয়া উচিত। এটা সবার জানা যে, বাংলাদেশে বসবাসরত কোনো মানুষের শরীরে করোনার জীবাণু পরিলক্ষিত হয়নি। ইতালি ও জার্মানি থেকে ফেরত দু'জনের কাছ থেকে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে এবং পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত আসা ব্যক্তিদের কাছথেকেও এ সংক্রামক ব্যাধিটি দ্রম্নত ছড়িয়ে পড়ে। তাই বিদেশফেরত সব মানুষ সরকারের বিধি ও নিয়ম মেনে চলতে হবে। কমপক্ষে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে (অন্যের সংস্পর্শে না আসা) থাকা। প্রথম দিকে এই নিয়মটা অনেকেই না মেনে পরিবারের কাছে চলে যাওয়াতে এই ভাইরাসটি সংক্রমিত হয়েছে। করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা বিবেচনায় নিয়ে ইতোমধ্যে সরকার ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছেন। তবে এ ছুটি আরো বাড়তে পারে। করোনা ঠেকাতে জেলা এবং বিভাগীয় শহরে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে সহায়তাদানে সেনাবাহিনী কাজ করছে। এই ছুটি মানেই হোম কোয়ারেন্টাইনে অর্থাৎ বাড়িতে আবদ্ধ থাকা। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে বের না হওয়া, যত্রতত্র ঘোরাফেরা না করা, পণ্যবাহী পরিবহন ছাড়া জল, স্থল ও আকাশ পথ বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। করোনা শুধু মানুষের প্রাণই কেড়ে নিচ্ছে না এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অর্থনীতিতে। আমদানি রপ্তানিতে মন্দা ভাব দেখা দিয়েছে।

সবার ওপর মানুষ, সবার ওপর মানবতা। সর্বদিক থেকে বিশ্ব মানবতাকে রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। বর্তমান করোনাভাইরাস বিশ্ব মানবতাকে, বিশ্ব মানবকে খেয়ে ফেলছে। হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। শুধু করোনাই নয়, যুদ্ধ, স্নায়ু যুদ্ধে বহু মানুষের মৃতু্য হচ্ছে। উপরন্ুত্ম নিত্যনতুন রোগ ব্যাধিতে মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। বিশ্বের পরাশক্তি ও শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর এসব বিষয়ে কোনো নজর নেই। তারা রাসায়নিক বা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যস্ত। এতে যে অর্থ ব্যয় করছে সে তুলনায় বিশ্বমানবতার কল্যাণের জন্য কিছুই করছে না। জনশ্রম্নতি রয়েছে, চীনের উহান প্রদেশ যেখান থেকে করোনার উৎপত্তি হয়েছে সেখানেই নাকি রাসায়নিক অস্ত্রের মজুত রয়েছে। হতে পারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়ে ভুল বশত রাসায়নিক জীবাণু ছড়িয়ে যায়, যার খেসারত দিচ্ছে গোটা পৃথিবী। যদিও উহান প্রদেশে এখন আর করোনার বিস্তার নেই এবং ইতোমধ্যেই ৭৬ দিন পর সেখানকার লকডাউন তুলে নেওয়া হয়েছে।

করোনার কারণে মানুষের মাঝে যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে সেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। যে কোনো মহামারিতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হয়। এটা একটি বৈশ্মিক সমস্যা। সবাই মিলে কাজ করতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ দুর্যোগ নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের দিকনির্দেশনা আমাদের আতঙ্ক মুক্ত করতে পারে। তাই করোনা প্রতিরোধে জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।

সূত্রঃ jaijaidinbd.com

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি