ব্রেকিং:
ঢাকার মিরপুর থেকে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন (অবসরপ্রাপ্ত) আবদুল মাজেদ গ্রেফতার।
  • বৃহস্পতিবার   ০৯ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ২৫ ১৪২৬

  • || ১৫ শা'বান ১৪৪১

সর্বশেষ:
বাঘাইছড়ি উপজেলা সাজেকের শিয়ালদাহ গ্রামে নতুন করে হামে আক্রান্ত ২০ শিশুকে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে বিজিবি, ৮ এপ্রিল হেলিকপ্টারে নিউথাংনাক যাচ্ছে ৮ সদস্যের মেডিকেল টিম হাসপাতালে নেই আই‌সিইউ: প্রধানমন্ত্রীর দৃ‌ষ্টি আকর্ষন করলেন ডিসি কাপ্তাই হ্রদে ভেসে উঠা জমিতে বাম্পার ফলনেও কৃষকের মুখে হাসি নেই ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান কাপ্তাইয়ে ৭ হাজার ৯শ` টাকা জরিমানা করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে স্বেচ্ছায় ১৬ সদস্যের ইমার্জেন্সি টিম গঠন করেছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন সাজেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, মঙ্গলবার থেকে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন শুরু
১৭৮

কারিগরি শিক্ষা নারীর অংশগ্রহণ বাড়ূক

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ৩ মার্চ ২০২০  


দেশে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসার ঘটছে, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক কর্মমুখী এ শিক্ষায় আগ্রহী হচ্ছেন; এটি অত্যন্ত ইতিবাচক দিক। আমরা জানি, সরকারও কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা জনপ্রিয় করতে যথেষ্ট কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। বেসরকারি নানা উদ্যোগও এ শিক্ষায় উৎসাহিত করছে। তারপরও কারিগরি শিক্ষায় নারীরা কেন পিছিয়ে পড়ছে? অথচ আমরা দেখেছি, বিদেশে নানা ক্ষেত্রে কারিগরি শিক্ষা ও কর্মে নারীরা এগিয়ে।

ব্র্যাকের গবেষণা প্রতিবেদন সূত্রে সোমবার এক প্রতিবেদনে এসেছে, 'কারিগরি শিক্ষা নারীদের মধ্যে এখনও জনপ্রিয় নয়।' কারিগরিতে ছাত্রী সংখ্যা যে কম, সেটি সমকালের আরেক প্রতিবেদনেও আমরা দেখেছি। অথচ বিষয়টিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবরই তাগিদ দিয়েছেন। আমরা জানি, কারিগরি শিক্ষায় মেয়েদের জন্য আলাদাভাবে উপবৃত্তির ব্যবস্থাও রয়েছে। তারপরও ২০১৭ সালের এক হিসাবে দেখা গেছে, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় মেয়েদের হার প্রায় ২৪ শতাংশ। ২০২০ সাল অর্থাৎ এ বছরের মধ্যে মেয়েদের অংশগ্রহণ ৪০ শতাংশ করা সরকারের লক্ষ্য। আমরা মনে করি, কারিগরি শিক্ষা নারীদের মধ্যে জনপ্রিয় করতে হলে প্রথমেই সার্বিক অংশগ্রহণ বাড়ানো জরুরি। মেয়েদের জন্য আরও পলিটেকনিক ও টেকনিক্যাল স্কুল প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি ছাত্রীদের বৃত্তি-উপবৃত্তি বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে পড়াশোনা শেষে তাদের জন্য কর্মসংস্থান সহজতর করাও গুরুত্বপূর্ণ বলে আমরা মনে করি।

মেয়েদের জন্য কারিগরি কিছু কিছু পেশা ঝুঁকিপূর্ণ ও কষ্টসাধ্য মনে করে সামাজিক যে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, সে বাধা উত্তরণে সামাজিক সচেতনতার বিকল্প নেই। শিক্ষা গ্রহণকালে এবং কর্মস্থলে মেয়েদের নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি। তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও নিরাপদ পরিবেশে হওয়া চাই। কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে কর্মজীবনে যেসব নারী সফলতা অর্জন করেছেন, তাদের সফলতার গল্প সংবাদমাধ্যমে প্রচার হলে সেটি অন্যদেরও উৎসাহিত করবে। তাছাড়া কোথাও দেখা যায়, একই কাজ করলেও নারীর বেতন কম দেওয়া হয়, মেয়েদের এ বেতন বৈষম্য দূর করতেই হবে। সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমে কারিগরি শিক্ষিত নারীর অন্তর্ভুক্তিও সমাজে উদাহরণ সৃষ্টি করতে সক্ষম হবে। এর মাধ্যমে কারিগরি শিক্ষা যেমন নারীর কাছে জনপ্রিয় হবে, তেমনি এতে তাদের অংশগ্রহণ বাড়বে বলেই আমাদের বিশ্বাস।

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি