আলোকিত রাঙামাটি
ব্রেকিং:
রাঙামাটি মেডিকেল কলেজে পিসি আর ল্যাবের বিদ্যুৎ লাইনের সংস্কার কাজের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু
  • বুধবার   ১৫ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ৩১ ১৪২৭

  • || ২৩ জ্বিলকদ ১৪৪১

সর্বশেষ:
রাঙামাটিতে নব নির্মিত ডরমেটরী ভবন উদ্বোধন করলেন বৃষ কেতু চাকমা কাপ্তাইয়ের ১১ শিল্পী পেল সংস্কৃতি মন্ত্রনালয়ের আর্থিক অনুদান কাপ্তাইয়ে করোনা আক্রান্তের হার কমেছে, সুস্থ ৭৬ জন রাঙামাটি জেলায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ৯ জন, মোট আক্রান্ত ৪৫১ দীঘিনালা বেইলী ব্রিজ সংস্কার প্রয়োজনে ২ দিন বন্ধ থাকবে বাঘাইছড়ি-খাগড়াছড়ি সড়ক যোগাযোগ
২৮৬

কোরআন শিক্ষার আসর, প্রতিদিন ৫ আয়াত

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ১ জুন ২০২০  


পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে বিরাট সওয়াব অর্জন করার সুযোগ রয়েছে। এবং এর সঙ্গে রয়েছে  অনেক উপকারিতাও।

কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আমরা মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতে পারি। কারণ কঠিন কিয়ামতের দিন এই কোরআন আমাদের জন্য সুপারিশকারী হবে।

জান্নাতেও কোরআনের ধারকদের বিশেষ সম্মাননা দেয়া হবে। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, (কিয়ামতে) কোরআন অধ্যয়নকারীকে বলা হবে, কোরআন পাঠ করতে করতে ওপরে উঠতে থাকো। তুমি দুনিয়াতে যেভাবে ধীরে-সুস্থে পাঠ করতে সেভাবে পাঠ করো। কেননা তোমার তেলাওয়াতের শেষ আয়াতেই (জান্নাতে) তোমার বাসস্থান হবে। (আবু দাউদ, হাদিস : ১৪৬৪)।

বিশ্বনবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোরআনের একটি হরফ পাঠ করে, তাকে একটি নেকি প্রদান করা হয়। প্রতিটি নেকি দশটি নেকির সমান। আমি বলি না যে, আলিফ-লাম-মীম একটি হরফ। বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ, মীম একটি হরফ।’ (সুনান আত-তিরমিযী: ২৯১০)।

অতএব, আপনি কি নিজেকে বদলাতে চান? জীবনকে অর্থবহ করে তুলতে চান? আপনি কি মরেও অমর হয়ে থাকতে চান? সর্বোপরি দুনিয়া ও আখিরাতে আপনি যদি সফল হতে চান তাহলে আজ থেকেই যুক্ত হোন আমাদের পবিত্র কোরআন শিক্ষার এই আসরে।

পবিত্র কোরআন শিক্ষার আসরের ধারাবাহিক আলোচনায় আজ থাকছে সূরা আল বাকারার ৪৬-৫০ নম্বর পর্যন্ত আয়াত। 

সূরা আল বাকারা (আরবি ভাষায়: سورة البقرة)। এটি পবিত্র কোরআনুল কারিমের দ্বিতীয় সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ২৮৬টি এবং রূকুর সংখ্যা ৪০টি। আল বাকারা সূরাটি মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে।

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

(৪৬)
الَّذِينَ يَظُنُّونَ أَنَّهُم مُّلاَقُو رَبِّهِمْ وَأَنَّهُمْ إِلَيْهِ رَاجِعُونَ
যারা একথা খেয়াল করে যে, তাদেরকে সম্মুখীন হতে হবে স্বীয় পরওয়ারদেগারের এবং তাঁরই দিকে ফিরে যেতে হবে।

(৪৭)
يَا بَنِي إِسْرَائِيلَ اذْكُرُواْ نِعْمَتِيَ الَّتِي أَنْعَمْتُ عَلَيْكُمْ وَأَنِّي فَضَّلْتُكُمْ عَلَى الْعَالَمِينَ
হে বনী-ইসরাঈলরা! তোমরা স্মরণ কর আমার অনুগ্রহের কথা, যা আমি তোমাদের ওপর করেছি এবং (স্মরণ কর) সে বিষয়টি যে, আমি তোমাদেরকে উচ্চমর্যাদা দান করেছি সমগ্র বিশ্বের ওপর।

(৪৮)
وَاتَّقُواْ يَوْماً لاَّ تَجْزِي نَفْسٌ عَن نَّفْسٍ شَيْئاً وَلاَ يُقْبَلُ مِنْهَا شَفَاعَةٌ وَلاَ يُؤْخَذُ مِنْهَا عَدْلٌ وَلاَ هُمْ يُنصَرُونَ
আর সে দিনের ভয় কর, যখন কেউ কারো সামান্য উপকারে আসবে না এবং তার পক্ষে কোনো সুপারিশও কবুল হবে না; কারো কাছ থেকে ক্ষতিপূরণও নেয়া হবে না এবং তারা কোনো রকম সাহায্যও পাবে না।

(৪৯)
وَإِذْ نَجَّيْنَاكُم مِّنْ آلِ فِرْعَوْنَ يَسُومُونَكُمْ سُوَءَ الْعَذَابِ يُذَبِّحُونَ أَبْنَاءكُمْ وَيَسْتَحْيُونَ نِسَاءكُمْ وَفِي ذَلِكُم بَلاء مِّن رَّبِّكُمْ عَظِيمٌ
আর (স্মরণ কর) সে সময়ের কথা, যখন আমি তোমাদিগকে মুক্তিদান করেছি ফেরআউনের লোকদের কবল থেকে যারা তোমাদিগকে কঠিন শাস্তি দান করত; তোমাদের পুত্রসন্তানদেরকে জবাই করত এবং তোমাদের স্ত্রীদিগকে অব্যাহতি দিত। বস্তুতঃ তাতে পরীক্ষা ছিল তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে, মহা পরীক্ষা।

(৫০)
وَإِذْ فَرَقْنَا بِكُمُ الْبَحْرَ فَأَنجَيْنَاكُمْ وَأَغْرَقْنَا آلَ فِرْعَوْنَ وَأَنتُمْ تَنظُرُونَ
আর যখন আমি তোমাদের জন্য সাগরকে দ্বিখণ্ডিত করেছি, অতঃপর তোমাদেরকে বাঁচিয়ে দিয়েছি এবং ডুবিয়ে দিয়েছি ফেরআউনের লোকদিগকে অথচ তোমরা দেখছিলে।

আজকে যা জানলাম ও শিখলাম-

আল্লাহ সাগরকে দ্বিখণ্ডিত করে ভয়ংকর ফেরআউনের হাত থেকে নির্যাতিতদের রক্ষা করেছেন। ডুবিয়ে দিয়েছেন ফেরআউনের লোকদের।

মহান রব বলেন, ফেরআউনের প্রতি আমার ওই শাস্তি তোমরা প্রত্যক্ষ করেছিলে। বস্তুতঃ তাতে পরীক্ষা ছিল তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে, মহা পরীক্ষা।

সুতরাং প্রভুর সামনে একদিন আমাদের হাজির হতেই হবে। সেদিন কেউ কারো উপকারে আসবে না। কারো সুপারিশ সেদিন কাজে আসবে না। আমরা দুনিয়াতে যা করেছি কেবল তারই ফল পাবো।

দোয়া: হে আমাদের প্রতিপালক! তোমার সন্তুষ্টি অর্জন করতে, তোমাকে ভালোভাবে জানতে, সঠিক পথের দিশা পেতে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে সফল হতে নিয়মিত পবিত্র কোরানের ০৫টি আয়াত অর্থসহ পড়ছি। তুমি আমাদের এ আমলটিকে কবুল করে নাও এবং শয়তানের শয়তানি থেকে হেফাজত রাখো। আমিন।

সূত্র: ইকরা নিউজ  

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি
ধর্ম বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর