• বুধবার   ০৩ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২১ ১৪২৭

  • || ১১ শাওয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
স্বাস্থ্য বিধি মানা হচ্ছে না, সংক্রমণের আশঙ্কা রাজস্থলীতে রাঙামাটিতে শতভাগ মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিতসহ সামাজিক দূরত্ব ও বাজার মনিটরিংয়ে মাঠে নেমেছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন নানিয়ারচরে অসহায় ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে ত্রাণের চাল বিতরণ কাউখালীতে জনপ্রতিনিধিদের মাঝে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম বিতরণ রাঙামাটিতে এনজিও গুলোর ঋণ আদায় কার্যক্রম শুরু, বিপাকে ঋণ গ্রহীতরা
১০১৯

চারিদিকে শুনশান নিরবতা

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ৩০ মার্চ ২০২০  

ছবিঃ সংগৃহীত


শম্পু বাহাদুর থাপাঃ- সকালটা ছিল না শীত, না গরম। দুপুর হতে না হতেই সূর্যের তীব্রতা বেড়ে যায়। এখন হরতাল নেই, নেই কোনো অবরোধ। যানবাহনের বিরক্তিকর ভোঁ ভোঁ শব্দ না থাকায় ধোঁয়াও নেই। পুরো রাস্তাটাই ছিল একদম ফাঁকা যেদিকে তাকাই শুধু চেয়ে দেখি শুনশান নিরবতা। 

সারাবিশ্বে মহামারি আকার ধারণ করা (কেভিড ১৯) করোনা ভাইরাসের প্রভাবে জনজীবন এভাবেই থমকে যাবে যা আগে কখনো কল্পনাও করেনি রাঙামাটি উপজেলার সাধারণ মানুষ। 

অন্যদিকে সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইন মানতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে দিনমজুরসহ অসংখ্য খেটে খাওয়া মানুষ। তাদের জীবনে নেমে এসেছে অনিশ্চয়তার দীর্ঘনিঃশ্বাস। 

ব্যবসায়ীরা তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে ফিরে গেছে নিজ নিজ বাড়িতে। ক্রেতা নেই রাস্তার পাশে নিত্য প্রয়োজনে শুধু ওষুধ, মুদি আর কাঁচাবাজারের দোকানিরা মাথা উঁচু করে জেগে আছে। তবে রাস্তায় অলিগলিতে কলেজ পড়ুয়া কিছু ছাত্রদের একসঙ্গে দলবেধে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। 

সারাবিশ্বে মৃত্যুর মিছিলে পরিণত হয়েছে করোনাভাইরাস। বাংলাদেশে এর প্রভাব অতটা না পড়লেও বিদেশ ফেরত ও ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরের ঘরমুখী মানুষ শহরে ছুটে আসায় একরকম শঙ্কায় নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে রাঙামাটি সদর সহ ১১ উপজেলার বাসিন্দারা। 

অন্যদিকে প্রশাসনের করোনাভাইরাস সচেতনতামূলক প্রচারাভিযানে কিছুটা হলেও জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের খেটে খাওয়া মানুষ করোনাভাইরাসে সচেতনতায় করণীয় সর্ম্পকে কিছুই জানে না। 

রাঙামাটি জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ বিপাশ খীসা বলেন, ইতোমধ্যে করোনা ভাইরাসের সম্ভাব্য সংক্রমণ মোকাবেলায় রাঙামাটি সরকারি কলেজের নতুন একাডেমিক ভবনে ৫০ শয্যা, জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের পরিদর্শিকা কেন্দ্রে ৫০ শয্যা ও কাপ্তাইয়ে নতুনভাবে নির্মিত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনের ৫০ শয্যা মিলে সর্বমোট ১৫০ বেড প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। 

তিনি জানান, যাদের ১৪ দিন শেষ হয়েছে তাদেরকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। তাদের শরীরের করোনার কোনো উপর্সগ পাওয়া যায়নি। ১ মার্চ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ থেকে রাঙামাটিতে এসেছেন ২৭৪ জন। হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ১৭৩ জন। ৫৩ জনের ১৪ দিন শেষ হওয়ায় ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। বর্তমানে ১২০ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। 

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি
নগর জুড়ে বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর