আলোকিত রাঙামাটি
ব্রেকিং:
‌‌কাপ্তাই হ্রদের মাছ উৎপাদনের হারিয়ে যাওয়া গৌরব ফিরিয়ে আনা হবে : মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম
  • শনিবার   ৩১ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ১৬ ১৪২৭

  • || ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সর্বশেষ:
রাঙামাটিতে মোট করোনায় আক্রান্ত- ৯২৯, মোট সুস্থ- ৯০২, মোট মৃত্যু- ১৪ জন।
৩৩৬

জলবসন্ত ও বক্রকৃমি নিরাময় করবে দেশীয় এই ফল

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ১০ জুলাই ২০২০  

জলবসন্ত ও বক্রকৃমি নিরাময় করবে কামরাঙ্গা


দেশীয় ফলের মধ্যে টক-মিষ্টি কামরাঙ্গা সবারই কমবেশি পছন্দ। এই ফল থেকে জ্যাম, জেলি, মোরব্বা, চাটনি ও আচার তৈরি করা হয়। কামরাঙ্গায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি ও সি।

এছাড়াও ঔষধীগুণ সমৃদ্ধ এ ফল একদিকে যেমন পূরণ করে আমাদের শরীরের পুষ্টি, তেমনি প্রতিরোধ করে বিভিন্ন রোগ। মৌসুমী এই ফলের নিজস্ব বিশেষ গুণগুলো শরীরের জন্য খুবই উপকারী। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক কামরাঙ্গার উপকারিতা সম্পর্কে- 

> এতে থাকে এলজিক এসিড যা খাদ্যনালির ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

> এর পাতা ও কচি ফলের রসে রয়েছে ট্যানিন, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।

> পাকা ফল রক্তক্ষরণ বন্ধ করে।

> ফল ও পাতা গরম পানিতে সিদ্ধ করে পান করলে বমি বন্ধ হয়।

> কামরাঙ্গা ত্বক মসৃণ করে।

> এর পাতা ও ডগার গুঁড়া খেলে জলবসন্ত ও বক্রকৃমি নিরাময় হয়।

> কামরাঙ্গা পুড়িয়ে ভর্তা করে খেলে ঠান্ডাজনিত সমস্যা সহজেই ভালো হয়ে যায়।

> এর মূল বিষনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

> কামরাঙ্গা ভর্তা রুচি ও হজমশক্তি বাড়ায়।

> পেটের ব্যথায় কামরাঙ্গা খেলে উপকার পাওয়া যায়।

> শুকানো কামরাঙ্গা জ্বরের জন্য খুবই উপকারী।

> ২ গ্রাম পরিমাণ শুকনো কামরাঙ্গার গুঁড়া পানির সঙ্গে রোজ একবার করে খেলে বাতনাশক, বহুমূত্র, উচ্চ রক্তচাপ ও অর্শ্বরোগের জন্য উপকারী।

> কামরাঙ্গা শীতল ও টক। তাই ঘাম, কফ ও বাতনাশক হিসেবে কাজ করে। 

সতর্কতা

তবে অধিক পরিমাণে কামরাঙা বা এর জুস খেলে ক্ষতির আশংকাও রয়েছে ৷ তাই এর খারাপ দিক এড়িয়ে চলতে খালি পেটে কখনো কামরাঙ্গা খাবেন না। যাদের কিডনির চিকিৎসা চলছে তারা কামরাঙ্গা খান সতর্কতার সঙ্গে। তবে অপকারিতার চেয়ে উপকারী দিক বেশি হওয়ায় বিশেষ স্বাদের এ ফল খাওয়া উচিত সকলের। 

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি
স্বাস্থ্য বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর