আলোকিত রাঙামাটি
  • বুধবার   ০৫ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২১ ১৪২৭

  • || ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

সর্বশেষ:
রাঙামাটির উপজেলা ভিত্তিক করোনা আপডেটঃ- রাঙামাটি সদর- আক্রান্ত ৪৩৫, কাপ্তাই- আক্রান্ত ১০২, কাউখালী- আক্রান্ত ৩০, বাঘাইছড়ি- আক্রান্ত ১৫, বরকল- আক্রান্ত ০৫, লংগদু- আক্রান্ত ১৫, রাজস্থলী- আক্রান্ত ১০, বিলাইছড়ি- আক্রান্ত ১৩, জুরাছড়ি- আক্রান্ত ২৩, নানিয়ারচর- আক্রান্ত ০৯। মোট আক্রান্ত- ৬৫৭, মোট সুস্থ- ৪৯৩, মোট মৃত্যু- ১০ জন।
৪৭৬

দাম কমেছে সবজি, মাছ মুরগি ও আদা-রসুনের

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ৯ মে ২০২০  

বাজারদর


রমজান মাসের শুরুতে নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও বর্তমানে অনেক পণ্যের দাম কমেছে। বিশেষ করে দাম কমেছে সবজির। পাঁচ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে সবজির দাম। কমেছে ধনিয়া ও পুদিনা পাতা এবং লেবুর দাম। নিম্নমুখী দেখা গেছে মাছ ও মুরগির বাজারে। বাজারে নতুন ইলিশের আগমনে কমেছে সব মাছের দাম। সবচেয়ে বেশি কমেছে আদার বাজার। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে মসলা জাতীয় এ পণ্যের দাম কমেছে ৫০ টাকা পর্যন্ত। একই সঙ্গে কমেছে রসুন ও পেঁয়াজের দাম।

শুক্রবার রাজধানীর পল্টন, মতিঝিল, শান্তিনগর, মালিবাগ, খিলগাঁও এলাকায় কয়েকটি বাজার ঘুরে এসব চিত্র দেখা গেছে।

এসব বাজারে সবজিভেদে পাঁচ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। দাম কমে প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা, করলা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, উচ্ছে ৪০ টাকা, গাজর বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপে ২০ থেকে ৩০ টাকা, কচুর লতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বড় কচু ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মুলা ৩০ টাকা, চিচিঙ্গা-ধন্দুল-ঝিঙা ৪০ টাকা, বেগুন (প্রকারভেদে) ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি দাম কমেছে শসা, লেবু, ধনিয়া পাতা, পুদিনা পাতা ও লেবুর। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা কমে শসা বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে, কেজিতে ২০ টাকা কমে প্রতিকেজি ধনিয়া পাতা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা, কেজিতে ৪০ টাকা কমে পুদিনা পাতা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজিদরে। আর হালিতে ২০ টাকা কমে প্রতি হালি ছোট লেবু ১০ থেকে ১৫ টাকা, বড় সাইজের লেবু ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, প্রতি পিস বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা, বাঁধা কপি (গ্রিন) ৫০ টাকা, প্রতি হালি কাঁচা কলা ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

দাম কমেছে শাকের বাজারেও। প্রতি আঁটি (মোড়া) কচু শাক ৫ থেকে ৭ টাকা, লাল শাক ১০ টাকা, মুলা ১৫ টাকা, পালং শাক ১৫ টাকা, লাউ ও কুমড়া শাক ২০ থেকে ৩০ টাকা, পুঁইশাক ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

তবে বাজারে গরু ও খাসির মাংসের দাম না কমলেও কমেছে মুরগির দাম। বাজারে আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে গরু ও খাসির মাংস। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা, মহিষের মাংস ৬০০ টাকা, খাসির মাংস ৮০০ টাকা, বকরি ৭৫০ টাকা কেজিদরে।

পাঁচ থেকে ১০ টাকা কমে প্রতিকেজি বয়লার বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকা কেজিদরে, কেজিতে ২০ টাকা কমে প্রতিকেজি লেয়ার ২০০ টাকা, সাদা লেয়ার ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত কমে প্রতিকেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, প্রতিকেজি দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা কেজিদরে।

দাম কমেছে ডিমের বাজারে। পাঁচ টাকা কমে প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকা, ডজনে ১০ টাকা কমে দেশি মুরগি ডিম ১৪০ টাকা, প্রতি ডজন সোনালি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০, হাঁসের ডিম ১১০ থেকে ১২০ টাকা, কোয়েরে ডিম প্রতি ১০০ পিস ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

দাম কমেছে মাছের বাজারে। ১০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত কমে এসব বাজারে প্রতিকেজি কাঁচকি ৩০০ টাকা কেজিদরে, মলা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, ছোট পুঁটি (তাজা) ৫০০ টাকা, শিং (আকারভেদে) ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, পাবদা ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, চিংড়ি (গলদা) ৪০০ থেকে ৭৫০ টাকা, বাগদা ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা, হরিণা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, দেশি চিংড়ি ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, রুই (আকারভেদে) ২৩০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, পাঙাশ ১৩০ থেকে ১৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা, কৈ ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, কাতল ২০০ থেকে ৩০০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বাজারে নতুন ইলিশের আগমনের দাম কমেছে ইলিশের। প্রতি এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৯৫০ থেকে ১০০০ টাকা, ৭৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৭০০ টাকা থেকে ৭৫০, ছোট ইলিশ আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে।

বাজারে কমেছে আদার দাম। রমজানের শুরুতে প্রতিকেজি আদা ৩০০ টাকা ছাড়িয়ে গেলেও এখন তা বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজিদরে। দাম কমেছে রসুন ও পেঁয়াজ বাজারেও। বর্তমানে প্রতিকেজি রসুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, চায়না রসুন ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজিদরে। প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে (মানভেদে) ৪৫ থেকে ৫০ টাকা।

বাজারে খোলা সয়াবিন (লাল) বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকা লিটার, খোলা সাদা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা লিটার। অপরিবর্তিত রয়েছে সরিষার তেল। খোলা সরিষার তেল বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা লিটার।

এসব বাজারে প্রতিকেজি মিনিকেট (নতুন) চাল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, মিনিকেট পুরান ৬৫ টাকা, বাসমতী ৬৫ থেকে ৬৬ টাকা, প্রতিকেজি আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৬ টাকা, এক সিদ্ধ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪২ টাকা, পাইজাম ৪২ টাকা, প্রতিকেজি পোলাও বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজিদরে।

বাজারে প্রতিকেজি ডাবরি ডাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, অ্যাঙ্কর ৫০ টাকা, প্রতিকেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা, মসুর (মোটা) ৯০ টাকা।

প্রতিকেজি এলাচ বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০০ থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে, জয়ত্রী বিক্রি হচ্ছে ৩৫০০ থেকে ৩৬০০ টাকা কেজি দরে। জায়ফল প্রতিকেজি বর্তমান বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা।

দাম কমায় স্বস্তি এসেছে ক্রেতার মধ্যে। শিউলি নামে খিলগাঁও মৈত্রী মাঠ (অস্থায়ী) কাঁচা বাজারের এক ক্রেতা বলেন, বর্তমানে সবজিসহ অন্য নিত্যপণ্যের দাম কমায় ভালো লাগছে। তবে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ভালো হলে সবাই বাজারে এসে পণ্য কিনতে পারত। করোনাভাইরাসের কারণে অনেকে বাসা থেকে বের হচ্ছে না। পাশাপাশি অনেকের আয় কমেছে। তবে রমজানের শুরু থেকেই নিত্যপণ্যের দাম কম হওয়া উচিত ছিল।

মামুন নামে খিলগাঁও মৈত্রী মাঠ (অস্থায়ী) কাঁচা বাজারের এক বিক্রেতা বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে প্রথম দিকে বাজারে মালামাল সংকট ছিল, তাই ওই সময় পণ্যের দাম বাড়তি ছিল। বর্তমানে মালামাল বেশি আসছে তাই দামও কমেছে।

সূত্রঃ যায়যায়দিন

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি
সারাদেশ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর