• বুধবার   ০৩ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২১ ১৪২৭

  • || ১১ শাওয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
স্বাস্থ্য বিধি মানা হচ্ছে না, সংক্রমণের আশঙ্কা রাজস্থলীতে রাঙামাটিতে শতভাগ মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিতসহ সামাজিক দূরত্ব ও বাজার মনিটরিংয়ে মাঠে নেমেছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন নানিয়ারচরে অসহায় ও কর্মহীন পরিবারের মাঝে ত্রাণের চাল বিতরণ কাউখালীতে জনপ্রতিনিধিদের মাঝে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম বিতরণ রাঙামাটিতে এনজিও গুলোর ঋণ আদায় কার্যক্রম শুরু, বিপাকে ঋণ গ্রহীতরা
১৮৯

‘দুর্যোগের সময় ত্রাণ আত্মসাতকারীরা মানুষ রূপি জানোয়ার’ 

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ১১ এপ্রিল ২০২০  

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ-ফাইল ছবি


আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, যারা দেশের দুর্যোগের সময়ে অসহায় মানুষের ত্রাণ আত্মসাৎ করে তাদের মানুষ বলা যায় না। এরা মানুষ রূপি জানোয়ার।

শনিবার নিজ বাসভবন থেকে এক ভিডিও বার্তায় এসব কথা বলেন তিনি। 

হানিফ বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় আমাদের দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনী, পুলিশ, ডাক্তার-নার্সসহ বিভিন্ন লোকজন চরম ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। এজন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। পাশাপাশি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলছি মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারলাম কিছু লোক এই সঙ্কটের সময় অসহায় মানুষের জন্য সরকারি বরাদ্দকৃত ত্রাণ আত্মসাৎ করছে। আমি অবাক হয়ে যাই! কারা এইসব মানুষ? যারা দেশের এই সঙ্কটের সময় অসহায় মানুষের ত্রাণ আত্মসাৎ করতে পারে- এদেরকে মানুষ বলা যায় না। এরা মানুষ রূপি জানোয়ার। এদের প্রতি তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা জানাই।

জেলা প্রশাসকদের অনুরোধ করে তিনি বলেন, আমি জেলা প্রশাসকদের অনুরোধ করবো। আপনারা উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসনকে নির্দেশনা দিন। সাধারণ মানুষের জন্য যে ত্রাণ বরাদ্দ করা হয়েছে সেই ত্রাণ যেন কোনো লোক আত্মসাৎ করতে না পারে। এজন্য কঠোর নির্দেশনা দিন, আরো কঠোর হন। আমরা চাই যদি কোনো ব্যক্তি বা জনপ্রতিনিধির নামে অভিযোগ ওঠে ত্রাণ আত্মসাতের তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। অসহায় মানুষের জন্য যে ত্রাণ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তা নিয়ে কোনো রকম দুর্নীতি-জালিয়াতি বরদাস্ত করা হবে না। আমরা এই অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করতে চাই। 

আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বারবার সতর্ক করার পরেও কিছু মানুষ নিয়ম না মানার কারণে এই করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বার বার জনগণকে সচেতন করেছেন এবং পরামর্শ দিয়েছেন। এছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। লকডাউন দেয়া হয়েছে। তারপর ও লোকজন সচেতন না হওয়ায় নিয়ম-নীতি না মানায় লকডাউন পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না। তাই করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। দেশবাসীকে আমি আবারো অনুরোধ করবো সবাই ঘরে থাকুন নিজে বাঁচুন, অন্যকে বাঁচার জন্য সুযোগ দিন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা করোনা মোকাবিলা করে এই সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে পারবো ইনশাল্লাহ।

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি
রাজনীতি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর