আলোকিত রাঙামাটি
  • শুক্রবার   ৩০ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ১৫ ১৪২৭

  • || ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সর্বশেষ:
রাঙামাটিতে মোট করোনায় আক্রান্ত- ৯২৯, মোট সুস্থ- ৯০২, মোট মৃত্যু- ১৪ জন।
৪২

পাপকে ঘৃণা করো, পাপীকে নয় (পর্ব-১)

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর ২০২০  

ফাইল ফটো


পাপাচারীর ওপর রাগ করা, তার সঙ্গে বিদ্বেষ রাখা জায়েজ আছে, তবে তাকে নিজের চেয়ে নীচ মনে করো না। কখনো তোমাকে কারো শাস্তি প্রদানের জন্য নিযুক্ত করা হলে, খবরদার! নিজেকে তারচে’ ভালো মনে করো না। হতে পারে সে পাপাচারী রাজকুমারের মতো আর তুমি চাকর জল্লাদের মতো।

প্রকাশ থাকে পাপী রাজকুমারকে বাদশা শাস্তি প্রদানের জন্য জল্লাদের হাতে প্রদান করলে, জল্লাদ তারচে’ শ্রেষ্ঠ হতে পারে না। অর্থাৎ একজন মানুষ মন্দ কাজ করছে। অবৈধ ও পাপকাজে জড়িত। তুমি তার প্রতি রাগ করতে পার। তার কাজকে ঘৃণা করতে পার। কারণ তার কাজটি ঘৃণার যোগ্য। তবে তাকে নিজের চেয়ে নীচ মনে করো না।

পাপকে ঘৃণা করো, পাপীকে নয়:

এ কথাটি দু’টি শব্দে বোঝা যেতে পারে। পাপকে ঘৃণা করো, পাপীর সত্তাকে ঘৃণা করো না। কুফুরকে ঘৃণা করো, কাফেরের সত্তাকে নয়। পাপীকে রুগ্ন ব্যক্তি মনে করো। যখন কোনো ব্যক্তি রুগ্ন হয়ে যায়, কেউ কি তখন রুগ্ন ব্যক্তিকে ঘৃণা করে? না, বরং রোগকে ঘৃণা করে, বলে-সে বড় মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হয়ে গেছে। রুগ্ন ব্যক্তির ওপর মানুষ সহানুভূতিশীল হয়। এমনিভাবে যদি কোনো ব্যক্তি কোনো মন্দ কাজে বা পাপে জড়িত হয়, তার পাপকে ঘৃণা করো আর পাপী ব্যক্তির ওপর সহানুভূতিশীল হও।

পাপী দয়ার পাত্র:

শয়তান কীভাবে ধোকা দেয়- আল্লাহ তায়ালা যাদেরকে দ্বীনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা দান করেছেন, যেমন আমাদের কোনো আবেদন-নিবেদন ব্যতীত দ্বীনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হালকার সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ! তবে দ্বীনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গ যখন তাদেরকে দেখেন যারা দ্বীনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়, বরং পাপচারে জড়িত, তাদেরকে দেখে অনেক সময় তাদের সত্তার প্রতি ঘৃণা এবং নিজের বড়ত্বের অনুভূতি সৃষ্টি হতে থাকে আমরা তারচে’ বড়। এ পথেই শয়তান ধোঁকা দেয়।  এ জন্য এ কথা মনে রাখতে হবে, কারো সত্তার প্রতি ঘৃণা নয়, বরং ঘৃণা হবে তার কর্মের প্রতি। এ কর্মের কারণে সে দয়ার পাত্র। তার প্রতি দয়া করার পাশাপাশি এটা চিন্তা কর হয়ত আল্লাহ তাকে তাওবার তাওফিক দেবেন আর সে আমাদেরকে ছাড়িয়ে যাবে।

আধ্যাত্মিক পথিকের অহংকার ও সীমাতিরিক্ত বিনয়ের চিকিৎসা:

তিনি বলেন, কাজের লোকদের দ্বীনের কাজে দু’টি রোগ সৃষ্টি হয়। ১. অহংকার। ২. সীমাতিরিক্ত বিনয়। অহংকার তো হলো অজিফা পড়ে নিজের ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে থাকে। নামাজ পড়ে বে-নামাজিদেরকে নীচ ভাবতে থাকে। এর চিকিৎসা হলো, অহংকারের কারণে বড় বড় আবেদদের পদচ্যুতি ঘটেছে, অভীষ্ট লক্ষে পৌঁছতে পারেনি।

শয়তান ও বালআম বাউরার ঘটনা এর নজির। আর সীমাতিরিক্ত বিনয় হলো, নিজের সৎকাজের অবমূল্যায়ন করতে থাকে। যেমন-নামাজ তো পড়ি, এতে খুশু-খুযূ নেই। জিকির করি তবে নূর শূন্য। যেন আল্লাহর বিরুদ্ধেই অভিযোগ করছে। এর চিকিৎসা হলো, এ কথা বলবে, হে আল্লাহ! আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ। আপনি আমাকে নামাজ ও জিকির করার তওফিক দিয়েছেন। অন্যথায় আপনার এবাদত করার কী ক্ষমতা আছে আমার?

দ্বীনের পথে ধোকা দেয়া:

হজরত থানবী (রহ.) বিপরীতমুখী দুই প্রকার রোগের উল্লেখ করেছেন। যারা দ্বীনের কাজে নিয়োজিত, শয়তান তাদেরকে দ্বীনের মাধ্যমে ধোকা দেয়। শয়তানের প্রথম চেষ্টা থাকে- কোনো আল্লাহর বান্দা যেন দ্বীনের কাজে লাগতে না পারে। তাকে পাপাচার ও কু-প্রবৃত্তির পেছনে এভাবে ফাঁসিয়ে দেয়, দ্বীনের কোনো কাজের প্রতি তার মনযোগ আকর্ষিত হয় না। না নামাজ রোজার প্রতি তার আকর্ষণ থাকে, না হজ জাকাতের প্রতি, বরং কুপ্রবৃত্তির চাহিদা পূরণেই সে ব্যস্ত থাকে। আর যদি কোনো ব্যক্তি দ্বীনের কাজে লেগেই যায়, তখন তার চেষ্টা থাকে সে দ্বীনের যে কাজ করছে তা বিনষ্ট করা। আমল বিনষ্টের ক্ষেত্রে শয়তান বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকে। সে পন্থাগুলোর দু’টি হজরত উপরে বর্ণনা করেছেন।

অহংকারের মাধ্যমে পথচ্যুত করা:

প্রথম পদ্ধতি হলো শয়তান দ্বীনের কর্মীর অন্তরে অহংকার ও আত্মতুষ্টির চিন্তা সৃষ্টি করে দেয়। যেমন: শয়তান বলে, তুমি তো অনেক উঁচু স্তরের লোক হয়ে গেছ। খুশু-খুযূর সঙ্গে নামাজ পড়ছ। জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় করছ। কত মানুষ আছে নামাজ আদায় করে না। পাপাচারে জড়িত। ফলে নিজের বড়ত্ব ও বেনামাজিদের প্রতি ঘৃণা অন্তরে এসে যায়। মানুষ যখন জ্ঞানশূন্য থাকে তখন নামাজের ব্যাপারে একটু যত্নবান হলে, আল্লাহ অভিমুখী হলে নিজেকে অনেক বড় মনে করতে থাকে।

জোলা’র উদাহরণ:

আরবি প্রবাদে আছে,

صلى الحائك ركعتين و انتظر الوحي

একদা জোলা দু’রাকাত নামাজ পড়েছে। নামাজের পর ওহির অপেক্ষা করতে থাকে এখন আমার উপর ওহি আসবে। আমাদের অবস্থা এমনি। আল্লাহর তাওফিকে সামান্য এবাদতের তাওফিক হয়, তখন মন আরশে মুয়াল্লায় পৌঁছে যায়। এটাই অহংকার। এর চিকিৎসার জন্য হজরত বলেন, অহংকারের কারণে বড় বড় আবেদের পদস্খলন ঘটেছে। তারা মনজিলে মাকসূদে পৌঁছতে পারেনি। শয়তান ও বালআম বাঊরা’র ঘটনাই তার দৃষ্টান্ত।

অর্থাৎ মানুষ চিন্তা করবে আমি অহংকার করলে সব আমল নষ্ট হয়ে যাবে। তার নজির হলো শয়তান। কারণ শয়তান বড় আবেদ ছিল। তার উপাধি হয়েছিল  طاؤس الملائكة  তথা ‘ফেরেশতাদের ময়ূর’। তবে এবাদতের ফলে অন্তরে অহংকার চলে আসলো। তাই আল্লাহ তায়ালা যখন হজরত আদম (আ.)-কে সেজদা করার নির্দেশ দিলেন, সে অস্বীকার করল এবং যৌক্তিক প্রমাণ পেশ করল; তাকে আপনি মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন আর আমাকে আগুন দিয়ে। আমি তারচে’ শ্রেষ্ঠ। আমি তাকে কেন সেজদা করব? মোটকথা অহংকারের কারণে আল্লাহর দরবার থেকে বিতারিত হয়ে গেছে।

বালআম বাঊরা’র ঘটনা:

দ্বিতীয় নজির বালআম বাঊরা’র ঘটনা। বালআম বাঊরা হজরত মুসা (আ.) এর যুগের এক ব্যক্তি। সে বড় আবেদ ও দুনিয়া ত্যাগী ছিল। مستجاب الدعوة তথা যে দোয়া করত তা-ই কবুল করা হতো। লোকেরা তার কাছে এসে দোয়া করত। আল্লাহ তায়ালা তাকে এ মর্যাদা দিয়েছিলেন।

তিনি আমালেকা এলাকায় থাকতেন। এ এলাকার লোকেরা কাফের ছিল। এ জন্য হজরত মুসা (আ.) তাদের উপর আক্রমন করার ইচ্ছা করলেন। আমালেকার কাফেররা হজরত মুসা (আ.) এর আক্রমনের বিষয়টি জানতে পারল। তখন তারা বালআম বাঊরা’র কাছে গেল এবং বলল, আপনি তো বড় আবেদ। পরহেজগার লোক। আল্লাহ তায়ালা আপনার দোয়া কবুল করেন। মুসার সেনাদল যেন পরাজিত হয়, আমাদের ওপর জয়লাভ করতে না পারে। বালআম বাঊরা বলল, আমি এ দোয়া করতে পারব না। 

কারণ তিনি আল্লাহ তায়ালার মনোনীত নবী। যে সৈন্যদল তার সঙ্গে আছে তারা সবাই মুমিন। আমি তাদের পরাজিত হওয়ার দোয়া করতে পাব না। লোকেরা দোয়ার ব্যাপারে পীড়াপীড়ি করতে লাগল। তখন সে বলল, আচ্ছা, আমি আল্লাহর কাছ থেকে জেনে নেই, এ ব্যাপারে দোয়া করার অনুমতি আছে কি না। সে এস্তেখারা করল। এস্তেখারায় উত্তর আসল এটাই, তিনি আল্লাহর নবী। তুমি তার ব্যাপারে বদ দোয়া কীভাবে করবে? তখন সে লোকদেরকে উত্তর দিয়ে দিল- আমি এস্তেখারা করেছি। আল্লাহ তায়ালা বদ দোয়া করতে নিষেধ করেছেন।

তারা দ্বিতীয় দিন আবার আসল। তাকে উৎকোচ হিসেবে কিছু উপঢৌকন দিল। বলল, উপঢৌকন নাও, দোয়া করো। আবেদের উচিত ছিল অস্বীকার করা, তাহলে ঘটানাই শেষ হয়ে যেত। উপঢৌকন পাওয়ার পর বলল আচ্ছা, আমি আরেকবার এস্তেখারা করে দেখি। আরেকবার যখন এস্তেখারা করলো, আল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো উত্তর আসেনি। তবুও সে লোকদেরকে দোয়ার ব্যাপারে নিষেধ করে দিল। 

লোকেরা জিজ্ঞাসা করল-এস্তেখারায় কী উত্তর আসল? সে বলল, কিছুই আসেনি। তারা বলল, তবে তো কাজ হয়ে গেছে। আল্লাহ তায়ালা আপনাকে নিষেধ করার ইচ্ছা থাকলে নিষেধ করতেন। যখন নিষেধ করেননি, উত্তর দেননি, এর অর্থ হলো আপনাকে অনুমতি দিয়েছেন। এ ব্যাখ্যা করেছে আমালেকা সম্প্রদায়। সঙ্গে সঙ্গে ওই আবেদও। অবশেষে সে হজরত মুসা (আ.) ও তার কওমের ধ্বংসের বদ দোয়া করেছে- 

نعوذ بالله

যেহেতু এ বদ দোয়া একজন নবীর ব্যাপারে ছিল তাই কবুল হয়নি। অবশ্য কেউ কেউ লিখেছে এ বদ দোয়ার ফলে হজরত মুসা (আ.) তীহ ময়দানে কয়েক বছর ঘুরেছেন। এরপর বালআম বলল, আমি তো তোমাদের কথায় বদ দোয়া করেছি, তবে আল্লাহ তায়ালা তা কবুল করবে না। কারণ এস্তেখারায় আমাকে তা-ই জানানো হয়েছে। 
লোকেরা বলল, আপনি যে পাপ করার তা তো করেই ফেলেছেন। এখন দোয়াও কবুল হচ্ছে না। এমন কোনো তদবীর বলে দিন যা মুসা (আ.) ও তার সৈন্যদলকে ধ্বংসা করে দেবে।

ওই আবেদ চিন্তা ফিকির করে বলল, এমন এক তদবীর বলে দিচ্ছি যার ফলে মানুষ নিজে নিজেকে ধ্বংস করবে। তা হলো তোমরা তোমাদের যুবতী নারীদেরকে সাজিয়ে তাদের সৈন্যদের ভেতর ঢুকিয়ে দাও। কারণ তারা দীর্ঘদিন যাবৎ ঘরছাড়া। যুবতী নারীরা যখন তাদের এখানে পৌঁছবে, তাদের কেউ না কেউ ব্যভিচারে জড়িয়ে পড়বে। যখন তারা পাপে জড়াবে, আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে তাদের উপর শাস্তি নেমে আসবে। এভাবে তোমরা তাদেরকে ধ্বংস করতে পারো। লোকেরা তা-ই করল। 

যুবতী নারীদের মুসা (আ.) এর সেনা শিবিরে পাঠিয়ে দিল। ফলে কোনো কোনো লোক পাপে জড়াল। ইতিহাসে লেখে আমালেকার রাজকুমারী বনী ইসরাঈলের এক বড় সরদারের কাছে পৌঁছে গেল। সরদার রাজকুমারীকে নিয়ে হজরত মুসা (আ.) এর কাছে পৌঁছে গেল। জিজ্ঞেস করল, এ রাজকুমারী কি আমার ওপর হারাম? হজরত মুসা (আ.) উত্তরে বললেন, হ্যাঁ, হারাম। সে বলল, হারাম হলেও আজ আমি তাকে আমার সঙ্গে নিয়ে যাব। সে তাকে নিয়ে গেল। তার সঙ্গে অপকর্ম করল। এরপর হজরত হারূন (আ.) এর বংশধরের কেউ তাকে বর্শার আঘাতে হত্যা করলো। এ ঘটনার পর এ অপকর্মের শাস্তি স্বরূপ বনী ইসরাঈলের মধ্যে মহামারি রোগ ছড়িয়ে পড়ল। 

হাদিস শরিফে এসেছে,

إنه بقية رجز أرسل إلى بني إسرائيل

এ মহামারী বনী ইসরাঈলের প্রতি প্রেরিত শাস্তির অবশিষ্টাংশ।

এসব কিছু আমালেকা সম্প্রদায়ের প্রতি বালআম বাঊরা’র কূ-পরামর্শের ফল। লক্ষণীয় বিষয় হলো, বালআম বাঊরা একজন এত বড় আবেদ, আলেম ও মুস্তাজাবুদ্দাওয়া (যার দোয়া কবুল করা হয়) ছিলেন। তবে যখন তার অন্তর পরিবর্তন হয়ে গেল, নিম্নবর্ণিত আয়াতের পরিণতিতে পৌঁছে গেল,

و اتل عليهم نبأ الذي آتيناه آياتنا فانسلخ منها فاتبعه الشيطان فكان من الغاوين،
و لو شئنا لرفعناه بها و لكنه أخلد إلى الأرض و اتبع هواه،
فمثله كمثل الكلب، إن تحمل عليه يلهث أو تتركه يلهث – (الأعراف : ١٧٥)

অর্থ: যাদেরকে আমি আমার আয়াত দিয়েছি তুমি তাদেরকে ওই ব্যক্তির অবস্থা শুনাও যে তার থেকে বের হয়ে গেছে। শয়তান তার পিছু নিয়েছে। সে ভ্রষ্ট লোকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে। আমি চাইলে ওই আয়াতের বদৌলতে উচ্চ মর্যাদা দিতে পারতাম। তবে সে দুনিয়ার প্রতি ঝুঁকে পড়েছে। স্বীয় প্রবৃত্তির অনুসরণ করেছে। তার অবস্থা কুকুরের মতো হয়ে গেছে। তুমি তার ওপর আক্রমন করলে সে হাঁপাতে থাকে। ছেড়ে দিলেও হাঁপাতে থাকে।

অন্তর কখন পরিবর্তন হয়ে যায়?

অন্তর কখন পরিবর্তন হয়ে যায় বালআম বাঊরা’র ঘটনা এর নজির। অথচ সে একজন উঁচু মানের আলেম, আবেদ ও মুস্তাজাবুদ্দাওয়া (যার দোয়া কবুল করা হয়) ছিলেন। লোকেরা তার কাছে গিয়ে নিজেদের জন্য দোয়া করাতো। তার এ পরিণতি হয়েছে। অন্তর পরিবর্তন হতে সময় লাগে না। 

আল্লাহ তায়ালা ভ্রষ্টতার প্রতি কারো অন্তরকে এমনিতেই পরিবর্তন করেন না। হঠাৎ করে বসে বসে একজন মুসলমান কাফের হয়ে যাবে, বরং ওই ব্যক্তির নিজস্ব কর্ম তৎপরতার কারণে অন্তর পরিবর্তন হয়ে যায়। কর্ম তৎপরতা হলো-নিজের এবাদতের ওপর অহংকারী হয়ে যায়। গর্ব অহংকারের ফলে বড় বড় মনীষীদেরও পদস্খলন ঘটেছে।

চলবে...

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি