আলোকিত রাঙামাটি
  • রোববার   ১২ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২৯ ১৪২৭

  • || ২১ জ্বিলকদ ১৪৪১

সর্বশেষ:
করোনা জয় করে কাজে যোগ দিলেন কাপ্তাই থানার ওসি নাসির রাঙামাটিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করলো জেলা প্রশাসন কাপ্তাইয়ে ১১ হাজার ফলজ, বনজ চারা বিতরণ করলো রাঙামাটি জেলা পরিষদ নানিয়ারচরে মাসিক আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সিভিল সার্জনের হাতে চিকিৎসা সরঞ্জাম তুলে দিলেন দীপংকর তালুকদার কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রঃ প্রতিদিন ৮ জন রোগীর নমুনা সংগ্রহে জেলা সিভিল সার্জনের নির্দেশনা রাঙামাটি জেলায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ২৪ জন, এ নিয়ে মোট আক্রান্ত ৪৪২
২৭২

বিশ্ব সঙ্গীত দিবস আজ

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ২১ জুন ২০২০  

ফাইল ছবি


ফরাসী ভাষায় ‘ফেট ডে লা মিউজিক’ আর বাংলায় বিশ্ব সংগীত দিবস। ২১ জুন পালিত হয় বিশ্ব সংগীত দিবস। সে অর্থে আজ সঙ্গীতপ্রেমীদের সেই প্রতিক্ষিত দিন। এই দিবসটি আন্তর্জাতিকভাবে পালনের শুরুটা হয় ফ্রান্সে। বিশেষ এই মিউজিক ফেস্টিভ্যালকে ঘিরে ফ্রান্সে পালিত হয় সঙ্গীতবিষয়ক বৈচিত্র্যময় নানা আয়োজন।

প্রথম থেকেই আলোচিত এই ফেস্টিভ্যালে অংশ নেবার জন্যে হাজির হতো বহু দেশের অসংখ্য সঙ্গীতজ্ঞ। ১৯৮২ সালেই বিশেষ এই সঙ্গীত উৎসবের দিনটি ‘ওয়ার্ল্ড মিউজিক ডে’ হিসেবে সমৃদ্ধি লাভ করে। এর এক বছর আগে অর্থাৎ ১৯৮১ সালে ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক মন্ত্রী জ্যাক লাঙ এই উৎসবকে একটি আন্তর্জাতিক রূপ দেবার চেষ্টা করেছিলেন।

আনুষ্ঠানিক যাত্রার এক বছরের মাথায় ২১ জুনকে বিশ্ব সঙ্গীত দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়। ভালো লিরিক আর সুর ছুঁয়ে যায় সংবেদনশীল মানুষের মন। সঙ্গীতের নিজস্বতা আর স্বকীয়তা এতটাই প্রবল যে সেটা কোনো বিশেষ ভাষার কাছেও সীমাবদ্ধ হয়ে থাকেনি। অর্থাৎ কোনো কাঁটা তারের বেড়া সঙ্গীতকে বাধা দিতে পারে না। বিদেশের সঙ্গীতজ্ঞ বব ডিলান কিংবা জিম মরিসনের সঙ্গীত যেমন এদেশের মানুষের মন ছুঁয়েছে, তেমনি আমাদের লালনের গানও পৌঁছে গেছে বিশ্বের দরবারে।

বিশ্ব সঙ্গীত দিবস উপলক্ষে প্রতি বছরই বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ সঙ্গীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদসহ সঙ্গীতের বিভিন্ন সংগঠন যথাযোগ্য মর্যাদায় বর্ণিল আয়োজনে দিবসটি পালন করে। এবার সারাবিশ্বে করোনাভাইরাসের কারণে কোথাও দিবসটি পালিত হচ্ছে না। 

সময়ের হাত ধরে বিশ্ব সঙ্গীতের জগতে বাংলা গান এক বিশেষ স্থানে আসীন হয়েছে। বিশেষ করে বাংলা সঙ্গীতের মৌলিক ধারাগুলো পৃথিবীর নানা প্রান্তে সমাদৃত হয়ে চর্চিত হচ্ছে। হাজার বছরের পুরোনো বাংলা সঙ্গীত আজ স্থানীয় চর্চার গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সোচ্চার হয়ে পথ চলছে।

প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় শাস্ত্র ও ধর্মীয় সঙ্গীতকে আশ্রয় করে বাংলা সঙ্গীত আজ প্রসারিত হচ্ছে আগামীর উঠানে। আমাদের জারি, সারি, বাউলগান, রবীন্দ্র বা নজরুলগীতির মতো সমৃদ্ধ সঙ্গীতের আকর বাংলা সঙ্গীতকে আরো সমৃদ্ধ করে তুলেছে। আধুনিক গানের ব্যাপক চর্চা সেই সঙ্গীতের ধারাকে অব্যাহত রেখেছে। বৈচিত্র্যময় সুরের ধারার সঙ্গীত এগিয়ে চলুক বিশ্বচরাচরে।

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি
বিনোদন বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর