• সোমবার   ০৬ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ২২ ১৪২৬

  • || ১২ শা'বান ১৪৪১

সর্বশেষ:
রাঙামাটিতে হোম কোয়ারেন্টাইনে ১৮৬ জনের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছে ১৩৬ জন, বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ৫০ জন কাপ্তাই নৌ-বাহিনী ঘরে ঘরে পৌঁছে দিল ত্রাণ সামগ্রী বাঘাইছড়িতে কাচালং নদীতে গোসল করতে নেমে এক পাহাড়ী মেয়ে নিখোঁজ কাপ্তাইয়ে ইউএনও এবং সেনাবাহিনীর গাড়ী দেখে পালিয়ে গেল দোকানীরা
৩৮১

রাঙামাটিতে বলাকা ক্লাবের উদ্যোগে জীবাণুনাশক স্প্রে ও মাস্ক বিতরণ

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ২৬ মার্চ ২০২০  


রাঙামাটি সদর প্রতিনিধিঃ- প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ ও জনসচেতনতার লক্ষ্যে রাঙামাটিতে প্রশাসন থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী ও ক্রীড়া-সামাজিক সংগঠনগুলো শুরু করেছে নানামূখী সচেতনতামূলক তৎপরতা। এরই অংশ হিসেবে রাঙামাটি পৌরসভার সহযোগীতায় ক্রীড়া ও সামাজিক সংগঠন বলাকা ক্লাবের উদ্যোগে শহরের গর্জনতলী পুরো এলাকায় করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সচেতনতামূলক লিফলেট, মাস্ক বিতরণের পাশাপাশি হ্যান্ড স্যানিটাইজেশন লিকুইট ও পানির জার স্থাপন এবং রাস্তা ও জনবসতিপুর্ণ স্থানে জীবাণুনাশক ওষুধ স্প্রে করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবসে সকালে বলাকা ক্লাবের সামনে এ কর্মসুচীর উদ্বোধন করেন রাঙামাটি পৌরসভার প্যানেল মেয়র মোঃ জামাল উদ্দিন।

এ সময় বলাকা ক্লাবের সভাপতি ঝিনুক ত্রিপুরা, সহ-সভাপতি উজ্জ্বল ত্রিপুরা, সহ-সভাপতি নতুন কুমার ত্রিপুরা (আপেল), সাধারণ সম্পাদক মিঠুন মারমা, অর্থ সম্পাদক টিলু মারমা, সদস্য অমিত ত্রিপুরা’সহ ক্লাবের অন্যান্য সদস্যরা অংশ নেন। 

উদ্বোধনকালে পৌরসভার প্যানেল মেয়র মোঃ জামাল উদ্দিন বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রভাবে দেশ এখন ক্রান্তিকাল অতিবাহিত করছে। এ পরিস্থিতিতে রাঙামাটি পৌরসভা করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসুচী গ্রহণ করেছে। কর্মসুচীর অংশ হিসেবে পৌরসভার জনগুরুত্বপুর্ন স্থানে হাতা ধোয়ার ব্যবস্থা করাসহ জীবাণুনাশক ছিটানো হচ্ছে। 

তিনি বলেন, জনসচেতনতাই একমাত্রই করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধের একমাত্র হাতিয়ার। সচেতনতার মাধ্যমে আমাদের নিজে বাঁচতে হবে। তাহলেই আমাদের সমাজ ও দেশ বাঁচবে। পৌরসভার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সংগঠন ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

বলাকা ক্লাবের সভাপতি ঝিনুক ত্রিপুরা বলেন, আমরা সবাই যদি সকলে সচেতন হই, আর যার যার অবস্থান থেকে অন্যকে সচেতন করি তাহলে যে কোনো মহামারি থেকে জনগণকে রক্ষা করা সম্ভব। মানুষকে সচেতন করাই মূল উদ্দেশ্য জানিয়ে তিনি বলেন, সমাজের প্রতিটি মানুষ তার নিজ অবস্থান থেকে সচেতনামূলক ও সামাজিক কর্মকান্ডে এগিয়ে আসুক। সচেতনতা ছাড়া করোনাভাইরাসের মহামারী থেকে বাঁচার কোন পথ নেই। তিনি পৌর পরিষদকে জনগণের দু:সময়ে পাশে থাকায় কৃতজ্ঞতা জানান।

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি
রাঙ্গামাটি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর