আলোকিত রাঙামাটি
ব্রেকিং:
নানিয়ারচরে সেনা টহলে সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণ, পাল্টা গুলিতে ইউপিডিএফ সন্ত্রাসী সাজেক চাকমা নিহত
  • শনিবার   ০৫ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২১ ১৪২৭

  • || ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
রাঙামাটিতে নতুন করে আরো ১০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। মোট আক্রান্ত- ১০৫২, মোট সুস্থ- ৯৪৪, মোট মৃত্যু- ১৫ জন।
১৩০৪

রাঙামাটিতে লাগামহীন সবজির বাজার; ক্রেতা-সাধারণের নাভিশ্বাস

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২০  


রাঙামাটি (সদর) প্রতিনিধিঃ- রাঙামাটিতে কাঁচাবাজারে তরি-তরকারির দাম আকাশচুম্বি। এতে নাভিশ্বাস উঠেছে মধ্য-নিম্নবিত্ত ক্রেতা সাধারণের। কিছু শীতকালীন সবজি বাজারে আসতে শুরু করলেও সবজি বাজারে প্রত্যেক তরি-তরকারির দাম চড়া। বেড়েছে মাছ, মাংসের দামও। হঠাৎ এসব ভোগ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে মানুষ দিশেহারা।

আজ রাঙামাটির তবলছড়ি, রিজার্ভ বাজার ও বনরূপা সবজি বাজারে ঘুরে দেখা যায়, বাজারগুলোতে আলু বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা, কড়লা ১শ টাকা, পিয়াজ ৯৫ টাকা, বেগুন ৯০ টাকা, শশা ৮০ টাকা, টমেটো ১২০, পটল ১২০ টাকা, পাহাড়ি ছোট কাঁচা মরিচের দাম কেজি ২০০ টাকা। আর দেশীয় কাঁচা মরিচের দাম কেজি ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বলতে গেলে নিত্যপ্রয়োনজীয় পণ্যসহ প্রত্যেকটি সবজির দাম চড়া।

স্থানীয় কাঁচামাল ব্যবসায়ী করম আলী, কাদের ও লাল মিয়া বলেন, কয়েকদিন ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কাঁচা তরি-তরকারি নিয়ে কিছুটা সংকট দেখা দেয়। তাছাড়া করোনার কারণে স্থানীয়ভাবে সবজি উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। ফলে বেশিরভাগ সবজি আনতে হচ্ছে চট্টগ্রাম ও রানিরহাট থেকে। এতে অতিরিক্ত পরিবহন খরচ যাচ্ছে। কাঁচামরিচ বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে। আর এসব কাঁচা মালামাল পচনশীল। সব তরি-তরকারিতে লাভ করা যায় না। এসব কারণে এখন কাঁচা তরি-তরকারি বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে আমাদের।

কামাল উদ্দিন নামে এক ক্রেতা বলেন, অধিক মুনাফার ফায়দা লুটতে ব্যবসায়ীরা সব সময় মরিয়া। তাই সুযোগ নিয়েই অধিক দামে তরি-তরকারি বিক্রি করছে তারা। তারা সব সময় কৃষক আর ক্রেতা সাধারণকে ঠকিয়ে নিজেদের অধিক মুনাফা লাভে ব্যস্ত। অন্যদিকে, এখানকার স্থানীয় কাঁচা বাজারগুলোতে মনিটরিং করার কেউ নেই। আর যদি করে তা হলে মাঝে মধ্যে। অথবা কেবল কোনো দুর্যোগ হলেই একটু নড়েচড়ে ওঠেন স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন। আর মনিটরিং করা হলেও নানা কৌশলে ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করে ব্যবসায়ীরা। প্রতিদিন বাজারে অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে। যে পণ্যই কিনি দাম বেশি। যাঁদের আয় নির্দিষ্ট, তাঁদের জন্য এভাবে চলা কষ্টের। ফলে বাজারে ক্রেতার জন্য কোনো স্বস্তি নেই।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) মো. আরিফ বলেন, স্থানীয় কাঁচা বাজারে যদি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ঊর্ধ্বগতির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তবে আমরা প্রতিদিন মোবাইল কোর্ট অব্যাহত রেখেছি। সকাল বিকাল পর্যবেক্ষণ করছি এবং প্রতিটি দোকানে মূল্য তালিকা ও চালান পর্যবেক্ষণ করছি। কেউ অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি
নগর জুড়ে বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর