ব্রেকিং:
রাঙামাটিতে নতুন করে ২ জন করোনায় আক্রান্ত, এনিয়ে মোট আক্রান্ত ৫৮ জন
  • বৃহস্পতিবার   ২৮ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪২৭

  • || ০৫ শাওয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
কাপ্তাইয়ে এক আনসার সদস্যের করোনা পজিটিভ বাঘাইছড়িতে কৃষকের কাছ থেকে বোরো ধান সংগ্রহের লটারি অনুষ্ঠিত করোনায় স্কুল বন্ধ কাপ্তাইয়ে অনলাইন ক্লাসের জনপ্রিয়তা বাড়ছে মুষলধারে বৃষ্টি, কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধ্বসের আশংকা করোনা প্রতিরোধে রাঙামাটি রেড ক্রিসেন্টের ৯০ লাখ টাকার ‘নগদ অর্থ সহায়তা’ প্রদান
১৯৮

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো সহ ১৫টি কঠিন রোগের সমাধান লিচু!

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ১৪ মে ২০২০  

লিচু


গরমে নানা রকম রসালো ফল পাওয়া যায়। আম, জাম, তরমুজ ইত্যাদি ফলগুলো সহজেই জিভে জল এনে দেয়। এই মধুমাসে পাওয়া যায় লিচুও। যা খেতে খুবই সুস্বাদু। মিষ্টি ও রসালো এই ফলটি পুষ্টিগুণেও অনন্য।

প্রতি ১০০ গ্রাম লিচুতে আছে ১৩.৬ গ্রাম শর্করা, ক্যালরি ৬১ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ১০ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৭ মিলিগ্রাম ও ভিটামিন 'সি' ৩১ মিলিগ্রাম। যা আমাদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশপাশি নানান রোগ থেকে মুক্ত রাখে। তাই সুস্থতার জন্য লিচু খাওয়া খুব জরুরি। বিশেষ করে এই মহামারির সময়ে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক লিচুর পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে- 

> অ্যাসকোরবিক অ্যাসিড ও ভিটামিন সি লিচুতে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

>  আঁশজাতীয় ফল লিচুতে থাকা কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার হজমে দারুণ ভাবে সহায়তা করে। এছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্য ও অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর করতেও লিচুর জুড়ি নেই।

> লিচুতে থাকা শক্তিশালী অ্যান্টি-ভাইরাল উপাদান বিভিন্ন ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে দূরে রাখে। তাছাড়া লিচু প্রচণ্ড ক্ষতিকর আলট্র্রাভায়োলেট রশ্মি থেকেও শরীরকে রক্ষা করে।

> লিচুতে আছে কপার ও আয়রন। কপার শরীরের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। আর আয়রন নতুন রক্তকোষের জন্ম দেয়।

> লিচু ফ্লুইড নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এতে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম ও স্বল্প সোডিয়াম থাকায় রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের মাধমে শরীরকে সুস্থ রাখে।  

> স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বক পেতে লিচু খান। ত্বকের বলিরেখা ও কালচে দাগ দূর করে ত্বক পরিষ্কার রাখতে লিচু বেশ সহায়ক।

> লিচুতে প্রচুর পানি ও আঁশ থাকায় প্রতিদিনের ডায়েট চার্টে এটি রাখতে পারেন। তাছাড়া লিচুতে কোনো ধরনের ক্ষতিকর ফ্যাটও নেই।

> ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, ম্যাংগানিজ ও কপার সমৃদ্ধ ফল লিচু। এগুলো ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে। তাছাড়া লিচুতে থাকা ক্যালসিয়াম আমাদের দেহের হাড়, দাঁত, চুল, ত্বক, নখ শক্তিশালী রাখে।

> লিচুতে রয়েছে ভিটামিন সি। যা জ্বর ঠোসা, জিহ্বার ঘা, জিহ্বার চামড়া ছিলে যাওয়া রোগ প্রতিরোধ করতে বেশ সহায়ক।  

> পিরিয়ড পরবর্তী সময়ে নারীদের শরীরে ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন হয়। আর লিচু ক্যালসিয়াম সরবরাহে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

> লিচুতে ভিটামিন সি-র পরিমাণ কমলালেবুর তুলনায় ৪০ শতাংশ বেশি। এতে থাকা আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরে বিটা ক্যারোটিনসহ প্রয়োজনীয় ভিটামিন শোষণে সহায়তা করে।

> লিচুর মতো এর পাতারও রয়েছে কিছু ভেষজ গুণ। পোকামাকড় কামড়ালে লিচুর পাতার রস ব্যবহারে উপকার মিলবে।

> কচি লিচু শিশুদের বসন্ত রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

> কাশি, পেটব্যথা, টিউমার দমনে লিচু কার্যকর।

> চর্মরোগের ব্যথায় লিচুর বীজ ব্যবহৃত হয়। পানিতে সিদ্ধ লিচুর শেকড়, বাকল ও ফুল গলার ঘা সারাতে সাহায্য করে। সঙ্গে গলার স্বরও ভালো রাখে।

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি
স্বাস্থ্য বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর