আলোকিত রাঙামাটি
ব্রেকিং:
করোনায় দীর্ঘ ১৩৭ দিন বন্ধ থাকার পর খুলল রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্স
  • মঙ্গলবার   ০৪ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২০ ১৪২৭

  • || ১৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

সর্বশেষ:
রাঙামাটির উপজেলা ভিত্তিক করোনা আপডেটঃ- রাঙামাটি সদর- আক্রান্ত ৪৩৫, কাপ্তাই- আক্রান্ত ১০২, কাউখালী- আক্রান্ত ৩০, বাঘাইছড়ি- আক্রান্ত ১৫, বরকল- আক্রান্ত ০৫, লংগদু- আক্রান্ত ১৫, রাজস্থলী- আক্রান্ত ১০, বিলাইছড়ি- আক্রান্ত ১৩, জুরাছড়ি- আক্রান্ত ২৩, নানিয়ারচর- আক্রান্ত ০৯। মোট আক্রান্ত- ৬৫৭, মোট সুস্থ- ৪৯৩, মোট মৃত্যু- ১০ জন।
১০২

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় হচ্ছে সাইবার থানা

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ৭ জুলাই ২০২০  

সাইবার অপরাধ।


  • ৮২ শতাংশ চার্জশীট জমা হলেও দোষী সাব্যস্ত হচ্ছে মাত্র ২৪ শতাংশ।
  • পর্যালোচনায় আউটসোর্সিং করা হচ্ছে।

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় সাইবার থানা বানানোর পরিকল্পনা করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। দ্রুতই এ প্রস্তাবটি পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হবে বলেও জানানো হয়। ঢাকার যে কোনো জায়গায় স্থাপিত এ সাইবার থানাটির সেবা পুরো দেশের মানুষই নিতে পারবেন।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান। রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।

সিআইডি প্রধান বলেন, সাইবার অপরাধ দমনে ঢাকার যেকোনো জায়গায় একটি সাইবার থানা করা হবে। থানা পুলিশ শুধু সাইবার সংক্রান্ত অপরাধ দমনে কাজ করবে। এখানে সাইবার অপরাধের শিকার দেশের যে কোনো বিভাগ, জেলা ও থানার মানুষরা অভিযোগ করতে পারবে।

একটা থানার মাধ্যমে পুরো দেশের মানুষকে কিভাবে সেবা দেয়া সম্ভব হবে এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, দেশের বিভাগ, জেলা বা থানা পর্যায় সিআাইডির কার্যালয় আছে। তারা সেখানেও অভিযোগ করতে পারবে। এখানে শুধু সাইবার অপরাধ নিয়ে কাজ করায় তা সম্ভব হবে।

অভিযোগপত্র (চার্জশীট) ৮২ ভাগ জমা করা হলেও অপরাধী সাব্যস্ত হচ্ছে মাত্র ২৪ শতাংশ এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরো বলেন, এ বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য আমরা আউটসোর্সিং করছি। আসলে কেনো এমনটা হচ্ছে তা নীরপেক্ষভাবে জানতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাইরের লোকদের নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। বিচার বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা কাজ করে এক মাসের মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দেবেন। একটি নিরপেক্ষ কারন বের করতেই এ আউটসোর্সিং করা হচ্ছে। আইজিপি মহোদয়ও এ বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন।

কোন বিষয়টি চ্যালেঞ্জিং মনে হয় প্রশ্নের জবাবে সিআইডি প্রধান বলেন, মামলার বিষয়টি চ্যালেঞ্জিং মনে হচ্ছে। কারন অনেক সময়ই দেখা যাচ্ছে মামলা তদন্তে অপরাধ প্রমাণে অনেকদুর এগিয়ে গেলেও হটাৎ বাদীই আবার মামলা তুলে নিতে চান। আর যেহেতু মৌখিক স্বাক্ষের ওপর আমরা বেশী নির্ভর করি। অনেক সময়ই সমন্বয় না ঘটায় তদন্ত প্রক্রিয়া অনেক বড় হয়ে যায়। তাই তদন্তে আমরা ফরেনসিক বেইজে চলে যেত চাইছি। মৌখিক স্বাক্ষ্য না থাকলেও আমরা ফরেনসিক প্রমাণ পাঠিয়ে দেবা। এছাড়াও মামলার অভিযোগপত্রের বিষয়টি আমরা রিভিউ করছি। এখানে মেরিটলেস মামলার বিষয়গুলো পিছিয়ে চাঞ্চল্যকর ও মেরিট আছে এমন মামলাগুলোই আগে পাঠানোর চেষ্টা করছি। কারণ, আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়ে ভীড় বাড়িয়ে আর লাভ কি। তাই মামলার মেরিট অনুযায়ী অভিযোগ পত্র দেয়ার কথা ভাবছি আমরা।

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি
সারাদেশ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর