আলোকিত রাঙামাটি
ব্রেকিং:
করোনায় দীর্ঘ ১৩৭ দিন বন্ধ থাকার পর খুলল রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্স
  • মঙ্গলবার   ০৪ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২০ ১৪২৭

  • || ১৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

সর্বশেষ:
রাঙামাটির উপজেলা ভিত্তিক করোনা আপডেটঃ- রাঙামাটি সদর- আক্রান্ত ৪৩৫, কাপ্তাই- আক্রান্ত ১০২, কাউখালী- আক্রান্ত ৩০, বাঘাইছড়ি- আক্রান্ত ১৫, বরকল- আক্রান্ত ০৫, লংগদু- আক্রান্ত ১৫, রাজস্থলী- আক্রান্ত ১০, বিলাইছড়ি- আক্রান্ত ১৩, জুরাছড়ি- আক্রান্ত ২৩, নানিয়ারচর- আক্রান্ত ০৯। মোট আক্রান্ত- ৬৫৭, মোট সুস্থ- ৪৯৩, মোট মৃত্যু- ১০ জন।
২৮৩

টিসিবির বাজারমূল্য পর্যালোচনা

সাত দিনে কমেছে ১১ পণ্যের দাম

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ৬ জুলাই ২০২০  


সপ্তাহের ব্যবধানে ১১ পণ্যের দাম কমেছে বলে জানিয়েছে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। পণ্যগুলো হচ্ছে- ধনেগুঁড়া, আমদানি করা রসুন, দেশি পেঁয়াজ, খোলা সয়াবিন তেল, তেজপাতা, আমদানি করা আদা, আমদানি করা হলুদ, জিরা, ব্রয়লার মুরগি, শুকনা মরিচ ও ছোলা। এর মধ্যে এক দিনেই ৫টি পণ্যের দাম কমেছে। রোববার টিসিবির দৈনিক বাজার মূল্যতালিকা পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে।

টিসিবি বলছে, সাত দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি ধনেগুঁড়ার দাম ৭ দশমিক ৪১ শতাংশ কমেছে। প্রতি কেজি আমদানি করা রসুনের দাম কমেছে ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ সাত দিনের ব্যবধানে দাম কমেছে ৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম কমেছে ১ দশমিক ১৬ শতাংশ। প্রতি কেজি তেজপাতায় দাম কমেছে ১১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। প্রতি কেজি আমদানি করা আদার দাম কমেছে ৩ দশমিক ৪৫ শাতাংশ। প্রতি কেজি আমদানি করা হলুদ ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ। প্রতি কেজি জিরায় দাম কমেছে ১২ শতাংশ। এছাড়া প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগিতে দাম কমেছে ৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ। প্রতি কেজি দেশি শুকনা মরিচে ১০ দশমিক ৯১ ও আমদানি করা শুকনা মরিচে দাম কমেছে ৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ। আর মানভেদে প্রতি কেজি ছোলায় দাম কমেছে ৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

টিসিবির দৈনিক বাজার মূল্যতালিকা অনুযায়ী, রোববার প্রতি কেজি ধনেগুঁড়া বিক্রি হয়েছে ১০০-১৫০ টাকা, যা এক দিন আগে বিক্রি হয়েছে ১২০-১৫০ টাকা। প্রতি কেজি আমদানি করা রসুন বিক্রি হয়েছে ৮০-৯০ টাকা, যা সাত দিন আগে বিক্রি হয়েছে ৮০-১০০ টাকা। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩৫-৪০ টাকা, যা সাত দিন আগে বিক্রি হয়েছে ৩৮-৪০ টাকা। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছে ৮৪-৮৬ টাকা, যা সাত দিন আগে বিক্রি হয়েছে ৮৪-৮৮ টাকা। প্রতি কেজি তেজপাতা বিক্রি হয়েছে ১০০-১৩০ টাকা, যা এক দিন আগে বিক্রি হয়েছে ১২০-১৪০ টাকা। এছাড়া এদিন প্রতি কেজি আমদানি করা আদা বিক্রি হয়েছে ১৩০-১৫০ টাকা, যা সাত দিন আগে বিক্রি হয়েছে ১৪০-১৫০ টাকা। প্রতি কেজি আমদানি করা হলুদ বিক্রি হয়েছে ২৫০-২০০ টাকা, যা সাত দিন আগে বিক্রি হয়েছে ১৮০-২২০ টাকা। জিরা বিক্রি হয়েছে ৩১০-৩৫০ টাকা কেজি, যা সাত দিন আগে বিক্রি হয়েছে ৩৫০-৪০০ টাকা। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৪০-১৫০ টাকা, যা এক দিন আগে বিক্রি হয়েছে ১৫০-১৬০ টাকা। প্রতি কেজি মানভেদে দেশি শুকনা মরিচ বিক্রি হয়েছে ২১০-২৮০ টাকা, যা এক দিন আগে বিক্রি হয়েছে ২৫০-৩০০ টাকা। এছাড়া মানভেদে প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হয়েছে ৬৫-৭০ টাকা, যা এক দিন আগে বিক্রি হয়েছে ৬৫-৭৫ টাকা।

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি
সারাদেশ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর