আলোকিত রাঙামাটি
ব্রেকিং:
‘৩ পার্বত্য জেলায় মোতায়েন হচ্ছে বিশেষায়িত পুলিশ’
  • সোমবার   ০১ মার্চ ২০২১ ||

  • ফাল্গুন ১৮ ১৪২৭

  • || ১৭ রজব ১৪৪২

সর্বশেষ:
রাঙামাটিতে নতুন করে আরো ৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। মোট আক্রান্ত- ১২৭১, মোট সুস্থ- ১২২৩, মোট মৃত্যু- ১৬ জন।

২০২২ সালে ফেব্রুয়ারির মধ্যে ঘর পাচ্ছে আরো এক লাখ গৃহহীন পরিবার

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি ২০২১  

ফাইল ছবি


দেশের সব ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে আবাসন সুবিধার আওতায় আনতে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে আরো এক লাখ বাড়ি দেবে সরকার।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে আবাসন সুবিধার আওতায় আনার জন্য কাজ করছেন। এ লক্ষ্যেই ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে আরো এক লাখ বাড়ি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হবে।-বাসস

তিনি আরো বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে ১ হাজার ১৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৬  হাজার ১৮৯টি বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। এসব বাড়ি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। বিশ্বে এই প্রথমবারের মতো সরকারের পক্ষ থেকে একসঙ্গে এত ঘর  ভূমিহীন ও গৃহহীনদের উপহার দেয়া হচ্ছে।

ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নোয়াখালী জেলার (বর্তমানে লক্ষীপুর) চরপোরাগাছা গ্রাম পরিদর্শনকালে ভূমিহীন, গৃহহীন ও অসহায় লোকদেরকে পুনর্বাসনের জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। 

তিনি আরো বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসে এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারো দেশের জন্য কল্যাণমুখী ও উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অধীন আশ্রয়ণ প্রকল্প মুজিববর্ষ উদযাপনকালে ২১টি জেলার ৩৬টি উপজেলায় ৪৪টি প্রকল্পের অধীনে ৭৪৩টি ব্যারাক নির্মাণ করে ৩ হাজার ৭১৫টি পরিবারকে পুনর্বাসিত করছে।

আশ্রয়ণ-২ এর প্রকল্প পরিচালক মো. মাহাবুব হোসেন বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্প ২০২০ সালে ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬২২টি পরিবারের তালিকা তৈরি করে। এরমধ্যে ২ লাখ ৯৩ হাজার ৩৬১টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার এবং ৫ লাখ ৯২ হাজার ২৬১টি পরিবারের ১-১০ শতাংশ ভূমি রয়েছে। তবে তাদের বসবাসের বাড়ি নেই।

তিনি আরো জানান, আশ্রায়ণ প্রকল্প ১৯৯৭ সালে থেকে ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩ লাখ ২০ হাজার ৫৮টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসিত করেছে। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলোর জন্য ব্যারাক নির্মাণ করছে।

ড. কায়কাউস আরো বলেন, আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প ৪ হাজার ৮৪০ দশমিক ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে (জুলাই ২০১০ থেকে জুন ২০২২ পর্যন্ত) ২ লাখ ৫০ হাজার ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার ও ছিন্নমূল পরিবারকে পুনর্বাসিত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ২০১০ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত সারাদেশে ১ লাখ ৯২ হাজার ২২৭টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসিত করা হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৪৮ হাজার ৫০০ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ব্যারাকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের প্রত্যেকের ১ থেকে ১০ শতাংশ ভূমি রয়েছে। কিন্তু তাদের বাড়ি করার সক্ষমতা নেই।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে সরকার জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উদ্বাস্তু কক্সবাজারের খুরুশকুলে ৬০০ পরিবারের জন্য ২০টি পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করেছে। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ডিটেইল্ড প্রজেক্ট প্রপোজাল (ডিপিপি) এর মাধ্যমে আরো ১১৯টি বহুতল ভবন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করছে।

পুনর্বাসিত পরিবারগুলোর সদস্যদের আয় সংস্থানমূলক কাজে সম্পৃক্ত হতে সক্ষম করে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি, দক্ষতা অর্জন এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

ভিশন-২০২১ বাস্তবায়ন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ (এসডিজি) অজর্নের জন্য দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে ভবিষ্যতে প্রকল্প কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করা হবে।

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি