আলোকিত রাঙামাটি
ব্রেকিং:
বাঘাইছড়িতে প্রতিপক্ষের গুলিতে জেএসএস (সন্তু)’র সন্ত্রাসী নিহত
  • শুক্রবার   ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ২ ১৪২৮

  • || ০৮ সফর ১৪৪৩

CoronaBanner

করোনা আপডেট

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

বাংলাদেশ

আক্রান্ত

১৮৬২

সুস্থ

৩৫৪৯

মৃত্যু

৫১

রাঙ্গামাটি

আক্রান্ত

সুস্থ

১৮

মৃত্যু

সর্বশেষ:
রাঙামাটিতে করোনায় নতুন আক্রান্ত আরো ০৯ জন। মোট আক্রান্ত হয়েছেন- ৪০৯১, মোট সুস্থ- ৩৮৯০, মোট মৃত্যু ৩৩ জন।

‘শিশুর উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সংস্থার এক সঙ্গে কাজ করার আহ্বান’

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ২৪ জুলাই ২০২১  


বিশ্বব্যাপী শিশুর উন্নয়ন ও বিকাশে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাকে গবেষণা, অংশীদারিত্ব ও কৌশলগত সাহায্যের মাধ্যমে এক সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

শনিবার চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত চায়না ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘দারিদ্র্য বিমোচন ও শিশু উন্নয়নে সপ্তম আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে’ অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে এ আহ্বান জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা বলেন, মহামারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকার সারাদেশে একযোগে গণ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। করোনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকার ২৮টি প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন করছেন। এরমধ্যে শিশুর পুষ্টি ও উন্নয়নে বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজ রয়েছে। এ সময় তিনি বিশ্বের সব শিশুর উন্নয়নে হাতে হাত রেখে এক সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ শিশুদের উন্নয়নে শিশুকেন্দ্রিক বাজেট বাস্তবায়ন করছে। সরকার শিশুর উন্নয়নকে বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করে দুই কোটি শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি প্রদান, বিনামূল্যে বই প্রদান ও স্কুলে মিড-ডে মিল চালু করেছে।

তিনি আরো বলেন, সরকার মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গর্ভাবস্থা থেকে তিন বছর পর্যন্ত ১১ লাখ কর্মজীবী ও দরিদ্র মাকে ভাতা প্রদান করছে। শিশু দারিদ্র্য হ্রাসকে অগ্রাধিকার দিয়ে ২০২৪ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ১২ দশমিক ৪ শতাংশ ও অতি দারিদ্র্যের হার ৪ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার। ‘শিশুর প্রারম্ভিক যত্ন ও বিকাশে সমন্বিত নীতি ২০১৩’ বাস্তবায়ন করেছে সরকার।

ইন্দিরা বলেন, বাংলাদেশ সফলভাবে এমডিজি অর্জন করেছে। তেমনি ২০৩০ সালে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সরকার বদ্ধপরিকর। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এসডিজি গোল ৪ এর গুণগত শিক্ষা ও শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশের ক্ষেত্রে। জাতিসংঘের এসডিজি অর্জনে বিশ্বের যে তিনটি দেশ সবচেয়ে এগিয়ে আছে, তার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ।

দারিদ্র্য বিমোচন ও শিশু উন্নয়নে সপ্তম আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন- চায়না ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ সেন্টার অব স্টেট কাউন্সিলের সেক্রেটারি মা জেভনটাঙ্গ, চায়না ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি জেনারেল ফানঙ্গ জিন, চেয়ারপার্সন লি উয়ি ও জাতিসংঘের উপ-মহাসচিব আমিনা জে. মোহাম্মদ।

কনফারেন্সে শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশ, শিক্ষা, উন্নয়ন ও উত্তম চর্চাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আটটি সেশন অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে ইসিডি, শিক্ষা ও এসডিজি বিষয়ে বিশ্বের খ্যাতনামা রিসোর্স পার্সনরা তাদের প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি