• রাঙামাটি

  •  বৃহস্পতিবার, মে ২৬, ২০২২

জাতীয়

শিশুর সঠিক বিকাশ মেধাসম্পন্ন জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ: মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্কঃ-

 প্রকাশিত: ১৬:০৮, ১৪ মে ২০২২

শিশুর সঠিক বিকাশ মেধাসম্পন্ন জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ: মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা- ফাইল ফটো


মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, সুষ্ঠু শারীরিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, সামাজিক ও আবেগীয় বিকাশের জন্য শিশুদের জীবনের প্রথম আট বছর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে শিশুর শিক্ষা ও বিকাশের ভিত্তি রচিত হয়। শিশুর সঠিক প্রারম্ভিক বিকাশ মেধাসম্পন্ন জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ। একটি মেধাসম্পন্ন জাতি গড়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শিশু বান্ধব সরকার শিশুর খাদ্য,পুষ্টি, স্বাস্থ্য-সেবা, সুরক্ষা ও শিক্ষা নিশ্চিত করছে।

শনিবার ‘বাংলাদেশ আরলি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট নেটয়ার্ক’ (বেন) আয়োজিত জাতীয় ইসিডি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ইসিডি নেটয়ার্কের সভাপতি ড. মঞ্জুর আহমেদ। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার ও ইউনিসেফ বাংলাদেশের কান্ট্রিরিপ্রেজেনটেটিভ মি. শেলডন ইয়েট।

ইসিডি সম্মেলনে সরকারি, জাতিসংঘ, দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিসহ দেশ-বিদেশের দেড় শতাধিক ইসিডি প্রাকটিশনার ও প্রতিনিধি অংশ নেন।

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, গর্ভাবস্থা থেকেই মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে। সমাজভিত্তিক সমন্বিত শিশু যত্ন কেন্দ্রের মাধ্যমে পাচ লাখ ষাট হাজার শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশ, সুরক্ষা ও সাতার সুবিধা প্রদান করা হবে।

তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা সংবিধানে শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ১৯৭৪ সালে শিশু আইন প্রণয়ন করেন। দেশ স্বাধীনের পরপরই শিশুদের জন্য অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা করেন। শিশু মৃত্যু ও মাতৃ মৃত্যু রোধ এবং প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ ও কার্যক্রম বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা বলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ৭ লাখ ৭০ হাজার দরিদ্র মায়ের জন্য মাতৃত্বকালীন ভাতা ও ২ লাখ ৭৫ হাজার কর্মজীবী মায়ের জন্য ল্যাক্টেটিং মা ভাতা কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। সরকারের ১৫টি মন্ত্রণালয় শিশুকেন্দ্রিক বাজেট বাস্তবায়ন করছে। 

এ সময় শিশুর উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

মন্তব্য করুন: