• ২৭ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ১৪ ১৪২৮

  • || ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

পার্বত্য চট্টগ্রাম

দীঘিনালায় সেনা অভিযানে ইউপিডিএফ (মূল) দলের চিহ্নিত চাঁদাবাজ আটক

 প্রকাশিত: ০৯:৫৫, ৩১ ডিসেম্বর ২০২১

দীঘিনালায় সেনা অভিযানে ইউপিডিএফ (মূল) দলের চিহ্নিত চাঁদাবাজ আটক
আটককৃত চিহ্নিত চাঁদাবাজ বিধান ত্রিপুরা ওরফে তেবিজ্জা।  ছবি:- আলোকিত রাঙ্গামাটি

দীঘিনালায় সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে ইউপিডিএফ (প্রসীত) দলের একজন চিহ্নিত চাঁদা আদায়কারী সন্ত্রাসীকে মোবাইল, চাঁদা আদায়ের রশিদ ও নগদ টাকাসহ আটক করেছে। 

সেনা সূত্র জানায়, স্থানীয় সন্ত্রাসী দলের হত্যা, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন সন্ত্রাসীমূলক কর্মকান্ডে সাধারণ পাহাড়ী জনগণের জীবন যাত্রা দূর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এহেন কর্মকান্ড নির্মূলের লক্ষ্যে খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কর্তৃক গোয়েন্দা ও অপারেশন তৎপরতা বৃদ্ধির ফলে দীঘিনালা জোন কর্তৃক অনেকগুলো সফল অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিশেষ গোয়েন্দা সূত্রের মাধ্যমে দীঘিনালা জোন ১ জন ইউপিডিএফ (প্রসীত) দলের চাঁদা আদায়কারীর চলাচলের তথ্য প্রাপ্ত হয়। তথ্যের সত্যতা যাচাই সাপেক্ষে দীঘিনালা জোনের বাবুছড়া আর্মি ক্যাম্প থেকে সন্ত্রাসী আটক করার লক্ষ্যে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান এলাকায় যাওয়ার পর আভিযানিক সেনাদল কমান্ডারের নির্দেশক্রমে বাবুছড়া নতুন বাজারে অবস্থান নিয়ে সন্ত্রাসীর সম্ভাব্য আগমন ও যাওয়ার রাস্তা ঘিরে ফেলে। পরবর্তীতে বেলা সাড়ে ১০টার সময় বাবুছড়া বাজারে তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করলে ইউপিডিএফ (প্রসীত) দলের একজন সদস্য অপারেশন দল কর্তৃক ধৃত হয়। আটককৃত ব্যক্তির নাম বিধান ত্রিপুরা ওরফে তেবিজ্জা (৪২)। আভিযানিক দল তাৎক্ষণিক তল্লাশী কার্যক্রম পরিচালনা করার মাধ্যমে উক্ত সন্ত্রাসীর কাছ থেকে নগদ ৫৪,৫৫৫ টাকা, ০২টি মোবাইল (নরমাল ফোন), ০৬টি সীম কার্ড, ০৩টি চাঁদা আদায়ের রশিদ, ২৫০ গ্রাম গাঁজা এবং ১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

উল্লেখ্য, আটককৃত সন্ত্রাসী বিধান ত্রিপুরা ওরফে তেবিজ্জা ইউপিডিএফ (প্রসীত) দলের একজন চিহ্নিত চাঁদাবাজ হিসেবে এলাকায় পরিচিত। অবৈধ চাঁদার জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সাধারণ মানুষকে হয়রানি এবং নির্যাতন করে আসছিলো। তার আটকের খবরে জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

এদিকে, চিহ্নিত চাঁদাবাজ বিধান ত্রিপুরা ওরফে তেবিজ্জাকে আটকের খবরে এলাকার বিশিষ্ট নাগরিক সমাজ এবং সাধারণ মানুষ মনে করছেন, নিরাপত্তা বাহিনী উক্ত সন্ত্রাসীর মত সকল সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় নিয়ে এলেই পাহাড়ে শান্তি ফিরে আসবে। তারা ভবিষ্যতে নিরাপত্তা বাহিনী এবং প্রশাসনের এমন আইনের প্রয়োগ চলমান রাখার দাবি জানান।

সর্বশেষ তথ্যমতে, আটক সন্ত্রাসীকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দিঘিনালা থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

আলোকিত রাঙামাটি

মন্তব্য করুন: