আলোকিত রাঙামাটি
ব্রেকিং:
বাঘাইছড়িতে প্রতিপক্ষের গুলিতে জেএসএস (সন্তু)’র সন্ত্রাসী নিহত
  • শুক্রবার   ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ২ ১৪২৮

  • || ০৮ সফর ১৪৪৩

CoronaBanner

করোনা আপডেট

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

বাংলাদেশ

আক্রান্ত

১৮৬২

সুস্থ

৩৫৪৯

মৃত্যু

৫১

রাঙ্গামাটি

আক্রান্ত

সুস্থ

১৮

মৃত্যু

সর্বশেষ:
রাঙামাটিতে করোনায় নতুন আক্রান্ত আরো ০৯ জন। মোট আক্রান্ত হয়েছেন- ৪০৯১, মোট সুস্থ- ৩৮৯০, মোট মৃত্যু ৩৩ জন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ শেখ জামালের জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলী

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল ২০২০  

ছবি- সংগৃহীত


জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দ্বিতীয় পুত্র শেখ জামালের ৬৭তম জন্মদিন আজ (২৮ এপ্রিল)। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গর্বিত অফিসার। তিনি আমাদের কাছে তারুণ্যের প্রতীক হিসাবেও বেঁচে আছেন। ১৯৫৪ সালের এ দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় তিনি জন্ম নেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কিছু বিপথগামী উচ্ছৃঙ্খল সেনা কর্মকর্তার হাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ নিহত হন শেখ জামাল।

শেখ জামাল ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ থেকে ম্যাট্রিক ও ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে গৃহবন্দি হন তিনি। কিন্তু পালিয়ে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন কমিশন প্রাপ্ত অফিসার পদে নিয়োগ পান।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দ্বিতীয় পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ লেফটেন্যান্ট শেখ জামালের জন্মদিনে শ্রদ্ধায় স্মরণ করি। তিনি ছিলেন অকুতোভয় মানুষ, যিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে গৃহবন্দি হন। কিন্তু সেই অবস্থায় পাক বাহিনীর সব পাহারা ফাঁকি  দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ৫ আগস্ট ধানমণ্ডির তারকাঁটা দিয়ে ঘিরে রাখা আর পাকিস্তানি বাহিনীর তীক্ষ্ণ নজর রাখা বন্দিশিবির থেকে পালিয়ে ভারতে চলে যান শেখ জামাল। ভারতে পৌঁছে আগরতলা থেকে কলকাতা হয়ে তিনি উত্তর প্রদেশের কালশীতে মুজিব বাহিনীর ৮০ জন নির্বাচিত তরুণের সঙ্গে ২১ দিনের বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন।

৯ নম্বর সেক্টরে যোগ দিয়ে তিনি ঝাঁপিয়ে পড়েন মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য। ধানমণ্ডির বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে শেখ জামাল যে ঘরে থাকতেন, সেখানে রাইফেল কাঁধে তার মুক্তিযুদ্ধকালীন ছবির দৃঢ়তা আর সাহসে ভরা একজোড়া চোখের দিকে তাকালেই বোঝা যায় মানুষটির ভেতরের সাহস আর দেশপ্রেমের উজ্জ্বল সম্মিলন। যুদ্ধশেষে স্বাধীন বাংলাদেশে সেই যুদ্ধের পোশাকেই শেখ জামাল ঢাকায় ফিরে আসেন স্বাধীনতার দু’দিন পরে ১৮ ডিসেম্বর। ভাইকে কাছে পেয়ে বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও শেখ রাসেলের পরম শান্তি, শান্তি বঙ্গমাতার চোখেও। তবে তখনও উদ্বেগ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্য। বাড়ি ফিরে সেদিন বিকেলে মুক্তিযোদ্ধাদের স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জনসভায় যোগ দেন শেখ জামাল।

শেখ জামাল তারুণ্যে উদ্যম এক প্রাণের নাম। গিটারে সুর তুলতে খুবই পছন্দ ছিল।  সে কারণেই গিটার শিখতে ভর্তিও হয়েছিলেন একটি প্রতিষ্ঠানে, ক্রিকেটার হিসেবেও ছিল তার সুনাম। ছিলেন রাজনীতিতে আগ্রহী ও সচেতন।  স্বাধীন বাংলাদেশে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন কমিশন প্রাপ্ত কৃতী অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

শেখ জামালের জন্মদিনে হৃদয়ের গভীর থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং ১৫ আগস্ট শহীদ সকলের আত্নার মাগফিরাত কামনা করছি।

লেখক: সম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক ভোরের পাতা ও ডেইলি পিপলস টাইম। পরিচালক, এফবিসিসিআই

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি