আলোকিত রাঙামাটি
ব্রেকিং:
বাঘাইছড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু জেএসএস (সন্তু)’র সামরিক কমান্ডার আবিষ্কার চাকমাকে গুলি করে হত্যা
  • মঙ্গলবার   ৩০ নভেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৮

  • || ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৩

CoronaBanner

করোনা আপডেট

২৯ নভেম্বর ২০২১

বাংলাদেশ

আক্রান্ত

২২৭

সুস্থ

২৮০

মৃত্যু

রাঙ্গামাটি

আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

সর্বশেষ:
রাঙামাটিতে নতুন করে আরো ১ জন করোনায় আক্রান্ত। মোট আক্রান্ত- ৪২৩০, মোট সুস্থ- ৪১৯৩, মোট মৃত্যু ৩৪ জন।

কবি সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ২০ নভেম্বর ২০২১  

বরেণ্য কবি নারী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ সুফিয়া কামাল- ফাইল ফটো


বরেণ্য কবি নারী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ সুফিয়া কামালের ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৯৯ সালের এ দিনে তিনি ঢাকায় মারা যান। বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তার মৃত্যুবার্ষিকী পালন করবে।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। 
 
রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, কবি সুফিয়া কামালের জীবনাদর্শ ও সাহিত্যকর্ম বৈষম্যহীন-অসাম্প্রদায়িক সমাজ বিনির্মাণে তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করবে। 

তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, কবি সুফিয়া কামাল ছিলেন নারী আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে এক অকুতোভয় যোদ্ধা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, কবি বেগম সুফিয়া কামাল যে আদর্শ ও দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা যুগে যুগে বাঙালি নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তিনি ছিলেন একদিকে আবহমান বাঙালি নারীর প্রতিকৃতি, মমতাময়ী মা, অন্যদিকে বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তার আপসহীন এবং দৃপ্ত পদচারণা।

বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তার প্রত্যক্ষ উপস্থিতি তাকে জনগণের ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে।

কবি সুফিয়া কামালের জন্ম ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালে। সে সময় বাঙালি মুসলমান নারীদের লেখাপড়ার সুযোগ একেবারে সীমিত থাকলেও তিনি নিজ চেষ্টায় লেখাপড়া শেখেন এবং ছোটবেলা থেকেই কবিতাচর্চা করেন।

সুফিয়া কামাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা হোস্টেলকে ‘রোকেয়া হল’ নামকরণের দাবি জানান। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার রবীন্দ্রসঙ্গীত নিষিদ্ধ করলে এর প্রতিবাদে গঠিত আন্দোলনে কবি যোগ দেন। তিনি শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলা প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর সুফিয়া কামাল মৃত্যুবরণ করেন। তাকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়। বাংলাদেশের নারীদের মধ্যে তিনিই প্রথম এ সম্মান লাভ করেন। সুফিয়া কামালের লেখা কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে-সাঁঝের মায়া, মায়া কাজল, মন ও জীবন, দিওয়ান, আভিযাত্রিক ইত্যাদি। ‘কেয়ার কাঁটা’ নামে একটি গল্পগ্রন্থ ছাড়াও তিনি ভ্রমণ কাহিনি, স্মৃতিকথা, শিশুতোষ এবং আত্মজীবনীমূলক রচনাও লিখেছেন।

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি