আলোকিত রাঙামাটি
ব্রেকিং:
রাঙামাটিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশে দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি
  • রোববার   ০৫ ডিসেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২১ ১৪২৮

  • || ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৩

CoronaBanner

করোনা আপডেট

০৪ ডিসেম্বর ২০২১

বাংলাদেশ

আক্রান্ত

১৭৬

সুস্থ

১৬২

মৃত্যু

রাঙ্গামাটি

আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

সর্বশেষ:
রাঙামাটিতে নতুন করে আরো ১ জন করোনায় আক্রান্ত। মোট আক্রান্ত- ৪২৩৩, মোট সুস্থ- ৪১৯৩, মোট মৃত্যু ৩৪ জন।

যে ফলগুলো দ্রুত ওজন কমাতে সহায়ক

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ২৫ আগস্ট ২০২১  

রকমারি ফল। ছবি: সংগৃহীত


বাড়তি ওজন কখনোই সুফল বয়ে আনে না। যাদের ওজন বেশি তারা বিভিন্ন রোগে ভুগে থাকেন। তাছাড়া বাড়তি ওজন সৌন্দর্যও নষ্ট করে। তাইতো ওজন কমাতে ডায়েট, খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন, নিয়মিত ব্যায়ামের বিকল্প নেই।

পরিমিত পরিমাণে পানি পান করুন। এর মাধ্যমে শরীরের বর্জ্য দূর হয় এবং মেদ কমে যায়। এছাড়া কম পরিমাণে ক্যালোরি নিন যা আপনার শরীর সহজে খরচ করতে পারে। পাশাপাশি খাদ্য তালিকায় বেশি করে শাক-সবজি ও ফল রাখতে পারেন। বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, খনিজ, পানি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পূর্ণ থাকে ফল। একজনের খাওয়ার পরিমাণে ফল যদি প্রতিদিন চারবার খাওয়া যায়, তবে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণের মাত্রা কমে। এভাবেই ওজন কমাতে সাহায্য করে ফল।

সব ফলই ওজন কমায় না। ওজন কমাতে মহৌষধ হিসেবে কাজ করে এমন কিছু ফল রয়েছে। প্রতিদিনের ডায়েটে এই ফলগুলো রাখলে আপনার ওজন কমতে বাধ্য। চলুন তবে সেই ফলগুলো সম্পর্কে যেগুলো দ্রুত ওজন কমাতে সহায়ক-

কমলা

কমলায় ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ ও ক্যালরি কম। আর এটি অনেকক্ষণ পেটভরা রাখতে সাহায্য করে। ফলে ওজন কমে।

বেদানা

প্রচুর পরিমাণ ফাইবার রয়েছে এ ফলটিতে। পাশাপাশি বেদানা লো ক্যালোরি সমৃদ্ধ। ওজন কমাতে খাদ্য তালিকায় রাখুন এ ফল।

নাশপাতি

ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, নাশপাতিতে রয়েছে ফ্লাভানয়েড পলিমারস, যা ওজন নিয়ন্ত্রণ করে। প্রতি ১৩৮ মি.গ্রা. বাড়তি ফ্লাভানয়েড পলিমারস ওজন কম হারে বাড়ায়।

ক্যাপসিকাম

প্রতিদিন ক্যাপসিকাম খাওয়া হলে তা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। ক্যাপসাইসিন দেহের বাদামি ও জমাট চর্বিকে শক্তি হিসেবে পোড়াতে শ্বেত রক্তকণিকাকে অনুপ্রাণিত করে।

সফেদা

এই ফলটি দেহের মেটাবোলিজম হার বাড়িয়ে দেয়। শরীরকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি ফ্যাট গলাতে সফেদা বেশ কার্যকর। এতে থাকা ফাইবার দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখে ও খিদে নিয়ন্ত্রণ করে।

অ্যাভোকাডো

প্রচুর ফাইবার আছে অ্যাভোকাডোতে। এটি খেলে দ্রুত ক্ষুধা পায় না। এতে থাকা মোনো-স্যাটিউরেটেড ফ্যাটি এ্যাসিড পেটে জমে থাকা মেদ কমাতে খুবই কার্যকরী।

আনারস

আনারস এমন এক ফল যা পেটের মেদ কমাতে খুবই উপকারী। এ ফলে ক্যালোরির মাত্রা কম থাকে। এই ফল পেটের হজম শক্তি বৃদ্ধিসহ মেদ কমাতে বেশ উপকারী।

আঙুর

আঙুরের রস শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে খুবই উপকারী। শরীরের ওজন কমাতে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও খুবই উপকারী। ওজন কমাতে রোজ কয়েকটি আঙুর খেতেই পারেন।

পেঁপে

পেঁপেতে ফ্যাটের পরিমাণ কম। এতে যে এনজাইম থাকে তা হজমে সাহায্য করে এবং ফ্যাট ভাঙতে পারে, যার ফলে ওজন কমে যায়। প্রতিদিন পেঁপে খেলে ১০ দিনেরে মধ্যেই এর ফল পাবেন।

তাল

এই ফলে ক্যালোরি কম থাকে। এছাড়া ফাইবার ও সরবিটলের উপস্থিতিও থাকে তালে। এই ফল রক্তচাপ কম রাখতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতেও সাহায্য করে। ডায়বেটিস রোগী যারা ওজন ঝরাতে চায়, তাদের জন্য এই ফল আদর্শ খাদ্য।

ব্লুবেরি

এক লাখ পুরুষ ও নারীর ওপর সমীক্ষা চালিয়ে ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নাল জানিয়েছে যে ব্লুবেরির মধ্যে ফ্লেভানল রয়েছে, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এক কাপ ব্লুবেরিতে ১০ মিলিগ্রাম অ্যনথোসিয়ানিন রয়েছে যা অনেকক্ষণ পেট ভরতি রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া ব্লুবেরিতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত দরকারী।

আপেল

লো ক্যালোরি ও উচ্চ ফাইবার-যুক্ত এই ফল ওজন কমায়। মাঝারি মাপের একটি আপেল থেকে ১১৬ ক্যালোরি ও ৪.৪ গ্রাম ফাইবার পাওয়া যায়। প্রতিদিনের ডায়েটে সাধারণত যে পরিমাণ ফাইবার প্রয়োজন হয়, তার পাঁচ ভাগের এক ভাগের যোগান দেয় আপেল। উচ্চ আঁশ ও ফ্লাভানয়েড পলিমারস সমৃদ্ধ, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে; যা রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকলে তা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস হওয়া থেকে রক্ষা করে।

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি