• রাঙামাটি

  •  মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২

নগর জুড়ে

কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞা বাড়লো আরো ১৫দিন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-

 প্রকাশিত: ২২:২৫, ২৮ জুলাই ২০২২

কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞা বাড়লো আরো ১৫দিন

পানি স্বল্পতায় কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণে আরো ১৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা বৃদ্ধি করেছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সম্মেলনের কক্ষে আয়োজিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর আগে গত বছর পানি স্বল্পতায় ১০দিন করে তিন দফায় এক মাস নিষেধাজ্ঞা বৃদ্ধি করা হয়েছিল।

কাপ্তাই হ্রদের মৎস্য শিকার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সময় বৃদ্ধিকরণ সভায় জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বিএফডিসির ব্যবস্থাপক কমান্ডার তৌহিদুল ইসলাম, জেলা মৎস্য কর্মকতা শ্রীবাস চন্দ, মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হারুনুর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক উদয়ন বড়ুয়া, বনরূপা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবু ছৈয়দ, ৭নং ওয়াড কাউন্সিলর জামাল উদ্দিন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ‘দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম জলাধার রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে কার্পজাতীয় মাছের বংশবিস্তার ও প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিতকরণে প্রতিবছরের ১ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত তিন মাস সব ধরনের মাছ শিকার, বাজারজাতকরণ এবং পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে জেলাপ্রশাসন। এ বছরও একইভাবে নিষেধাজ্ঞার সময় তিনমাস দেয়া হলেও হ্রদে পর্যাপ্ত পানি না বাড়ায় আরো ১৫ দিন হ্রদে মাছ আহরণ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে নিবন্ধিত জেলেরা প্রতিমাসে ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে খাদ্যশস্য হিসেবে ২০ কেজি করে চাল সহায়তা পান।’

সূত্র আরো জানায়, স্বাভাবিক সময়ের হিসাবে কাপ্তাই হ্রদের পানির পরিমাণ ১০৫ এমএসএল (মীনস্ সী লেভেল) হলে মাছ ধরা শুরু হয়। কিন্তু এবছর পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের অভাবে নির্ধারিত তিনমাস সময়ে হ্রদে পর্যাপ্ত পানি না বাড়ায় সময় বৃদ্ধি করতে হচ্ছে। 

মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক উদয়ন বড়ুয়া বলেন, ‘হ্রদে পানি কম থাকায় আমরা ২০ দিন সময় বৃদ্ধির আবেদন জানালে আলোচনার ভিত্তিতে ১৫দিন সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে।’

জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘মাছ আহরণের জন্য হ্রদে যে পরিমাণ পানি প্রয়োজন সেটা এখনো না থাকায় সকলের আলোচনার ভিত্তিতে আরো ১৫ দিন সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগামী ১০ আগস্ট আবারো সভার মাধ্যমে পরবর্তী  নির্দেশনা গ্রহণ করা হবে।’

মন্তব্য করুন: