• রাঙামাটি

  •  শনিবার, ডিসেম্বর ৩, ২০২২

রাঙ্গামাটি

কাউখালীতে আটক ইউপিডিএফ’র অস্ত্র ব্যবসায়ীকে নিরীহ গ্রামবাসী বলে অপপ্রচার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-

 আপডেট: ১৪:০৬, ৩০ এপ্রিল ২০২২

কাউখালীতে আটক ইউপিডিএফ’র অস্ত্র ব্যবসায়ীকে নিরীহ গ্রামবাসী বলে অপপ্রচার
আটক ইউপিডিএফ’র সক্রিয় সদস্য ও অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী রতন চাকমা। ছবি:- আলোকিত রাঙ্গামাটি

রাঙামাটির জেলার কাউখালীতে আটক ইউপিডিএফ’র সক্রিয় সদস্য ও অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী রতন চাকমা (৪০) কে নিরীহ গ্রামবাসী বলে অপপ্রচারে মেতেছে প্রসীত বিকাশ খীসার নেতৃত্বাধীন পাহাড়ের শান্তি চুক্তি বিরোধী আঞ্চলিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফ।

ইউপিডিএফের অপপ্রচারের মুখপত্র হিসেবে পরিচিত সিএইচটি নিউজ পোর্টালে প্রচারিত খবরের স্ক্রিনশট।

অপপ্রচারের অংশ হিসেবে, গত (২৯ এপ্রিল) শুক্রবার ইউপিডিএফের অপপ্রচারের মুখপত্র হিসেবে পরিচিত সিএইচটি নিউজ পোর্টাল ও  সিএইচটি ভয়েজ ফেসবুক পেইজে এ বিষয়ে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়। সেখানে ২৮ এপ্রিল কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের চেলাছড়া গ্রাম থেকে সেনা গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই কর্তৃক নিরীহ গ্রামবাসী রতন বিকাশ চাকমাকে আটকের অভিযোগ তোলা হয়। যা সম্পূর্ন ভিত্তিহীন অপপ্রচারের অংশ মাত্র।

সিএইচটি ভয়েজ পেইজে প্রচারিত পোস্টের স্ক্রিনশট।

জানা যায়, গত ২৮ এপ্রিল বিকাল ৫টায় ইউপিডিএফ’র অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী ও ২ মামলার পলাতক আসামী কাউখালী উপজেলাধীন চেলাছড়ায় শালিসী বৈঠক করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে ও স্থানীদের সহায়তায় রতন চাকমা (প্রকাশ সুমন চাকমা নামে পরিচিত) কে আটক করে নিরাপত্তাবাহিনী। সে দীর্ঘদিন পলাতক ছিলো এবং তার বিরুদ্ধে কাউখালীর বেতবুনিয়া থানায় ২টি মামলা রয়েছে। মামলার জিআর নং-১৬২/১৭, তারিখ ৮ মে ২০১৭ এবং জিআর নং-৩২০/১১, তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১১। পরবর্তীতে আটক রতন চাকমাকে কাউখালী থানায় হস্তান্তর করা হয় এবং তাকে রাঙামাটি আদালতে প্রেরণ করা হয় বলে থানা সূত্রে জানা যায়।

আটক ইউপিডিএফ’র সক্রিয় সদস্য ও অস্ত্র ব্যবসায়ী রতন চাকমাকে থানায় হস্তান্তরের সনদপত্র

এদিকে, উক্ত ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে গোয়েন্দাসংস্থাকে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারে নামে ইউপিডিএফ। অথচ আটক রতন চাকমা ইউপিডিএফ’র একজন সক্রিয় সদস্য ও অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী। যার বিরুদ্ধে কাউখালীর বেতবুনিয়া থানায় ২টি মামলাও বিদ্যমান। তাকে নিরীহ গ্রামবাসী বলে অপপ্রচার ইউপিডিএফ’র পুরোনো কৌশল বলেই মনে করছেন সচেতন মহল। 

অপরদিকে, স্থানীয় পাহাড়ি-বাঙালিরা বলছেন, পাহাড়ে যে ৫টি সন্ত্রাসী সংগঠন আছে তারা চায় না পাহাড়ে শান্তি ফিরে আসুক। তাদের মধ্যে স্বাধীনতা বিরোধী, শান্তিচুক্তি বিরোধী চক্র রয়েছে। তারা চায়, পাহাড়ে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে। তাই এ ধরনের ভিত্তিহীন অপপ্রচার পাহাড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও শান্তির পথে বাঁধা হিসেবে দেখছে স্থানীয়রা।

তারা আরো বলছেন, আমরা পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি হতে পারি না। আমরা সহাবস্থানে থাকতে চাই। তাই এসব অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান স্থানীয় পাহাড়ি-বাঙালিরা।

মন্তব্য করুন: