আলোকিত রাঙামাটি
ব্রেকিং:
চিৎমরমে নির্বাচন স্থগিত; কাপ্তাইয়ের ৩ ইউপিতে ১০৭ জনের মনোনয়ন পত্র জমা কাপ্তাইয়ে আওয়ামী লীগ নেতা হত্যার প্রতিবাদে ছাত্রলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ ঘরের দরজা ভেঙে আ.লীগ প্রার্থীকে হত্যা করলো জেএসএস’র সন্ত্রাসীরা
  • সোমবার   ১৮ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৩ ১৪২৮

  • || ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

CoronaBanner

করোনা আপডেট

১৭ অক্টোবর ২০২১

বাংলাদেশ

আক্রান্ত

৩১৪

সুস্থ

৫২৯

মৃত্যু

১৬

রাঙ্গামাটি

আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

সর্বশেষ:
রাঙামাটিতে করোনায় নতুন আক্রান্ত আরো ০০ জন। মোট আক্রান্ত হয়েছেন- ৪২১২, মোট সুস্থ- ৪১৫৭, মোট মৃত্যু ৩৪ জন।

অবৈধ উপার্জনের ভয়াবহ পরিণতি

আলোকিত রাঙামাটি

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১  

মহান আল্লাহ হারাম উপার্জনকারীদের সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। ছবি: সংগৃহীত


অবৈধ পথে হারাম উপার্জন মানুষের দুনিয়া ও আখিরাত ধ্বংস করে দেয়। তার পরও লোভের বলি হয়ে কিছু মানুষ এসব কাজ করে থাকে। অনেকে চাকরি করার আগে সেখানে বৈধ বেতনের সঙ্গে অবৈধ কত টাকা উপার্জন করতে পারবে, সে হিসাব করে। অথচ পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘হে মুমিনরা, আহার করো আমি তোমাদের যে হালাল রিজিক দিয়েছি তা থেকে এবং আল্লাহর জন্য শোকর করো, যদি তোমরা তারই ইবাদত করো।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৭২)

এই আয়াতে মহান আল্লাহ আমাদের জন্য হালাল খাবার, হালাল উপার্জন ফরজ করেছেন। অবৈধ মাধ্যমে উপার্জন করা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। হারাম  পন্থায় সম্পদের মালিক হওয়ার ব্যাপারে ইসলাম সতর্ক করেছে এবং এমন পন্থা অবলম্বনকারীদের জন্য দুনিয়াতে ও আখেরাতে শাস্তির ধমক রয়েছে। এসব অবৈধপন্থা আল্লাহর অসন্তুষ্টি এবং জাহান্নামে দগ্ধ হওয়ার কারণ। তাই হারাম পথে উপার্জনকারীদের অতি তওবা করে মানুষের সম্পদ শরিয়তসম্মত পন্থায় তাদের ফেরত দেওয়া উচিত। অবৈধপন্থায় সম্পদ উপার্জনের কিছু পন্থা সম্পর্কে আলোচনা করা হলো। যেন এসব বর্জন করা সহজ হয়।

প্রথমে উল্লেখ করছি সুদের কথা। এটি মারাত্মক ও জঘন্য অপরাধ। নিকৃষ্ট পাপাচার। একমাত্র অবাধ্য, পাপিষ্ঠ ও আল্লাহদ্রোহী ব্যক্তিই সুদের সঙ্গে জড়িত হতে পারে। পবিত্র কোরআনে এমন লোকদের কঠিন পরিণতির বর্ণনা করে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, ‘যারা সুদ খায়, তারা (কিয়ামতের দিন) এমনভাবে দণ্ডায়মান হবে, যেভাবে দণ্ডায়মান হয় ওই ব্যক্তি, যাকে শয়তান তার স্পর্শের দ্বারা মোহাবিষ্ট করে দেয়। তাদের এ অবস্থার কারণ হলো, তারা বলেছে, ক্রয়-বিক্রয় তো সুদ নেওয়ার মতোই! অথচ আল্লাহ তায়ালা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন।’ (সুরা বাকারা : ২৭৫)। 

সুদ পরিত্যাগ না করলে তার জন্য মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে রয়েছে যুদ্ধের ঘোষণা। ইরশাদ হয়েছে, ‘অতঃপর যদি তোমরা (সুদ) পরিত্যাগ না কর, তবে আল্লাহ ও তার রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা শুনে নাও। কিন্তু যদি তোমরা তওবা কর, তবে তোমরা নিজের মূলধন পেয়ে যাবে। তোমরা কারও প্রতি অত্যাচার কর না এবং কেউ তোমাদের প্রতি অত্যাচার করবে না।’ (সুরা বাকারা : ২৭৯)। সুদখোরকে জান্নাতে প্রবেশ না করানো মহান আল্লাহর অধিকার। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেন, ‘চার শ্রেণির মানুষকে জান্নাতে প্রবেশ না করানো এবং তার নিয়ামতের স্বাদ উপভোগ করতে না দেওয়া আল্লাহ তায়ালার অধিকার। ১. মাদকাসক্ত, ২. সুদগ্রহীতা, ৩. অন্যায়ভাবে এতিমের সম্পদ ভক্ষণকারী ও ৪. পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান।’ (মুসতাদরাকে হাকেম, হাদিস : ২৬০)। সুদ সংশ্লিষ্ট সবার ওপর রাসূল (সা.) অভিসম্পাত করেছেন। জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসূল (সা.) সুদগ্রহীতা, সুদদাতা, সুদের লেখক ও সুদের সাক্ষীদ্বয়কে অভিশাপ দিয়েছেন। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে তারা সবাই সমান।’ (মুসলিম, হাদিস : ১৫৯৮)

দ্বিতীয়ত মজুদদারি ও গুদামজাত করা। অধিক লাভে বিক্রি করার আশায় পণ্য মজুদ রেখে কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করাকে গুদামজাত বলে। এটি একটি ঘৃণ্য ও নিকৃষ্ট উপার্জনের পন্থা। ইসলাম যেসব অপরাধ থেকে সতর্ক করেছে, সেগুলোর অন্যতম হলো মজুদদারি। ওমাইর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি গুদামজাত করল, সে একজন পাপী।’ (মুসলিম, হাদিস : ১৬০৫) ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ৪০ দিন পর্যন্ত খাদ্যগুদামজাত করে রাখে, সে আল্লাহর জিম্মা থেকে মুক্ত, আল্লাহও তার জিম্মাদারি থেকে মুক্ত।’ (মুসনাদে আহমদ : ৪৮৮০) ইবনে মাজাহর অন্য এক বর্ণনায় আছে, ‘যে মুসলমানদের খাদ্য জমা করে রাখবে, আল্লাহ তায়ালা তাকে দারিদ্র্য ও কুষ্ঠরোগের মাধ্যমে শাস্তি দেবেন।’ (ইবনে মাজাহ : ২১৫৫)

অবৈধ উপার্জনের আরও একটি মাধ্যম হলো জুয়া ও বাজি ধরা। জুয়া উপার্জনের নিকৃষ্ট পন্থা। এ নিকৃষ্ট পদ্ধতিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, ‘হে মুমিনগণ! এই যে মদ, জুয়া, প্রতিমা ও ভাগ্য নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কার্য বৈ কিছু নয়। অতএব, এগুলো থেকে বেঁচে থাক, যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও। শয়তান তো চায় মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের পরস্পরের মধ্যে শত্রুত ও বিদ্বেষ সঞ্চারিত করতে এবং আল্লাহর স্মরণ ও নামাজ থেকে তোমাদের বিরত রাখতে। তোমরা কি এখনও নিবৃত্ত হবে না? (সুরা মায়িদা : ৯০-৯১)। জুয়া ও বাজি ধরার বস্তুসমূহ দিয়ে খেলাধুলা করা হাদিসে কঠিনভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এরই একটি প্রকার হলো, পাশা খেলা। আবু মুসা আশআরি (রা.) থেকে ইমাম আবু দাউদ (রা.) বর্ণনা করেন, ‘যে পাশা খেলল, সে আল্লাহ ও তার রাসূলের অবাধ্যতা করল।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৭৯৯)। বুরাইদা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেন, ‘যে পাশা দ্বারা খেলল, তার হাত যেন শূকরের গোশত ও রক্তে চুবে গেল।’ (মুসলিম, হাদিস : ২২৬০)

বর্তমান সময়ে অবৈধ যে পন্থা অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে তা হচ্ছে ঘুষ। এটিও সম্পদ উপার্জনের নোংরা একটি পদ্ধতি। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, ‘তোমরা অন্যায়ভাবে একে অপরের সম্পদ ভোগ কর না এবং জনগণের সম্পদের কিয়দাংশ জেনেশুনে অবৈধ পন্থায় আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে শাসন কর্তৃপক্ষের হাতেও তুলে দিও না।’ (সুরা বাকারা : ১৮৮)। ঘুষের ছড়াছড়ি হলে সমাজে দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়ে। আমর ইবনুল আস (রা.) বর্ণনা করেন, ‘আমি রাসূল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, ‘যখন কোনো জাতির মধ্যে সুদের ব্যাপক প্রচলন হয়ে যায় তখন তারা দুর্ভিক্ষে পতিত হয়। আর যখন তাদের মধ্যে ঘুষের আধিক্য দেখা দেয়, তখন তারা শত্রুর ভয়ে ভীত হয়ে পড়ে।’ (মুসনাদে আহমাদ : ৪/২০৫)

বিনা কারণে সম্পদ মজুদ করে পরবর্তী সময়ে অধিক মূল্যে বিক্রয় করে যে মুনাফা অর্জিত হয় তাও অবৈধ। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, ‘আর যারা সোনা ও রুপা জমা করে এবং তা আল্লাহর পথে ব্যয় করে না, তাদের কঠোর আজাবের সুসংবাদ দিন।’ (সুরা তওবা : ৩৪)। সম্পদ মজুদ করা দুই অবস্থায় হারাম। এক. জাকাত না দিয়ে সম্পদ মজুদ করা। দুই. মুসলমানের দারিদ্র্য ও কঠিন মুহূর্তে সম্পদ জমা করা। (তাফসিরে কুরতুবি : ৮/১২৫)। এজন্য আমাদের কর্তব্য হবে, এ মারাত্মক ব্যাধিগুলো থেকে বেঁচে থাকা। নিজের পরিবার-পরিজনকেও বাঁচিয়ে রাখা। রিজিকের প্রাচুর্যের দোয়া না করে বরং রিজিকে বরকত হওয়ার দোয়া করা। আল্লাহর ওপরই পূর্ণাঙ্গ ভরসা করে হালাল রিজিকের ওপর সন্তুষ্ট থাকা। যদি প্রয়োজন পুরা না হয়, তাহলে আল্লাহর কাছেই দোয়া করা।

অবৈধ উপার্জনের ক্ষতিসমূহ:
এখানে অবৈধ উপার্জনের কারণে অনেক ক্ষতিরই সম্মুখীন হতে হয়। তার মধ্যে বড় কয়েকটি ক্ষতি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

দোয়া কবুল হয় না:
যারা হারাম পন্থায় উপার্জন করে, মহান আল্লাহ তাদের দোয়া কবুল করেন না। রাসূলুল্লাহ (সা.) এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করলেন, দীর্ঘ সফরের ক্লান্তিতে যার মাথার চুল বিক্ষিপ্ত, অবিন্যস্ত ও সারা শরীর ধূলিমলিন। সে আকাশের দিকে হাত তুলে বলে, হে আমার প্রভু! হে আমার প্রতিপালক! অথচ তার খাদ্য ও পানীয় হারাম, তার পোশাক হারাম, তার জীবন-জীবিকাও হারাম। এমতাবস্থায় তার দোয়া কিভাবে কবুল হতে পারে? (তিরমিজি, হাদিস : ২৯৮৯)

বরকত কমে যায়:
মহান আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন আর দান-সদকা বাড়িয়ে দেন।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৭৬)
এই আয়াতের ব্যাখ্যায় তাফসিরবিদরা বলেন, ‘যে সম্পদের সঙ্গে সুদ মিশ্রিত হয়ে যায়, বেশির ভাগ সময় সেগুলো ধ্বংস হয়, অধিকন্তু আগে যা ছিল, তাও সঙ্গে নিয়ে যায়। সুদ ও জুয়ার ক্ষেত্রে দেখা যায়, অজস্র পুঁজির মালিক কোটিপতি দেখতে দেখতে দেউলিয়া ও ফকিরে পরিণত হয়। এভাবে হারাম উপার্জন মানুষের রিজিক কমিয়ে দেয়।

অনিবার্য ধ্বংস:
হারাম উপার্জন মানুষকে ধ্বংস করে দেয়। মহান আল্লাহ হারাম উপার্জনকারীদের সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সুদের যা বকেয়া আছে তা ছেড়ে দাও—যদি তোমরা মুমিন হও। অতঃপর যদি তোমরা না করো, তাহলে আল্লাহ ও তার রাসূলের সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নাও...।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত ২৭৮-২৭৯)

আল্লাহর অসন্তুষ্টি:
পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি এবং নিজেদের শপথের বিনিময়ে তুচ্ছ মূল্য খরিদ করে, আখিরাতে তাদের কোনো অংশ নেই। আর আল্লাহ তাদের সঙ্গে কথা বলবেন না এবং তাদের দিকে তাকাবেন না কেয়ামতের দিন। আর তাদের পরিশুদ্ধও করবেন না। তাদের জন্য রয়েছে মর্মন্তুদ শাস্তি।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ৭৭)

রাসূল (সা.)-এর অভিশাপ:
যারা সুদভিত্তিক লেনদেনে লিপ্ত, রাসুল (সা.) তাদের অভিশাপ দিয়েছেন। জাবের (রা.) বলেন, রাসূল (সা.) সুদখোর, সুদদাতা, সুদের লেখক ও তার সাক্ষীদ্বয়ের ওপর অভিসম্পাত করেছেন এবং বলেছেন এরা সবাই সমান অপরাধী। (মুসলিম, হাদিস : ৩৯৮৫) অন্য হাদিসে রাসূল (সা.) বলেছেন, ঘুষদাতা ও গ্রহীতার ওপর আল্লাহর অভিশাপ। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৩১৩)

কবরের শাস্তি:
হারাম উপার্জন মানুষকে যেভাবে দুনিয়াতে শাস্তি দেয়, তেমনি কবরেও তাদের জন্য রয়েছে ভয়াবহ শাস্তি। সামুরাহ ইবনে জুনদুব (রা.) বলেন, নবী (সা.) বলেছেন, আজ রাতে আমি স্বপ্নে দেখেছি, দুই ব্যক্তি আমার কাছে আগমন করে আমাকে এক পবিত্র ভূমিতে নিয়ে গেল। আমরা চলতে চলতে এক রক্তের নদীর কাছে পৌঁছলাম। নদীর মধ্যস্থলে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে আছে এবং আরেক ব্যক্তি নদীর তীরে, তার সামনে পাথর পড়ে রয়েছে। নদীর মাঝখানের লোকটি যখন বের হয়ে আসতে চায় তখন তীরের লোকটি তার মুখে পাথরখণ্ড নিক্ষেপ করে তাকে স্বস্থানে ফিরিয়ে দিচ্ছে। এভাবে যতবার সে বেরিয়ে আসতে চায় ততবারই তার মুখে পাথর নিক্ষেপ করছে আর সে স্বস্থানে ফিরে যাচ্ছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এ ব্যক্তি কে? সে বলল, যাকে আপনি (রক্তের) নদীতে দেখেছেন, সে হলো সুদখোর। (বুখারি, হাদিস : ২০৮৫)

আখিরাতের শাস্তি:
আখিরাতেও অবৈধ উপার্জনকারী কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হবে। খাওলা আনসারিয়া (রা.) বলেন, ‘আমি নবী (সা.)-কে বলতে শুনেছি, কিছু লোক আল্লাহর দেওয়া সম্পদ অন্যায়ভাবে ব্যয় করে, কিয়ামতের দিন তাদের জন্য জাহান্নাম নির্ধারিত।’ (বুখারি, হাদিস : ৩১১৮)

দান-সদকা কবুল হয় না:
অনেকে মনে করে, হারাম পথে উপার্জন করে সেখান থেকে কিছু সদকা করে দিলে হয়তো শাস্তি কিছুটা হালকা হবে। অথবা আল্লাহ ক্ষমা করে দেবেন। কিন্তু ব্যাপারটা এরকম নয়। রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ তায়ালা পবিত্রতা ছাড়া কোনো সালাত কবুল করেন না এবং অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের সদকা গ্রহণ করেন না।’ (নাসায়ি, হাদিস : ১৩৯)

অতএব আমাদের সবার উচিত, হারাম উপার্জন থেকে দূরে থাকা। কারণ এর দ্বারা সাময়িক সচ্ছলতা অর্জিত হলেও এর ক্ষতি চিরস্থায়ী। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে হালাল উপার্জন করার তাওফিক দান করুন। আমিন। 

আলোকিত রাঙামাটি
আলোকিত রাঙামাটি