• রাঙামাটি

  •  সোমবার, ডিসেম্বর ৫, ২০২২

ধর্ম

জুমার নামাজ পড়তে না পারলে করণীয়

ধর্ম ডেস্কঃ-

 প্রকাশিত: ১০:২৩, ১১ নভেম্বর ২০২২

জুমার নামাজ পড়তে না পারলে করণীয়

জুমার দিন জোহরের চার রাকাত নামাজের পরিবর্তে দুই রাকাত আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য। শুক্রবারের দিন জোহরের নামাজের পরিবর্তে জুমার নামাজকে ফরজ করা হয়েছে। জুমার দুই রাকাত ফরজ নামাজ ও ইমামের খুতবাকে জোহরের চার রাকাত ফরজ নামাজের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে।

এ জন্য প্রত্যেক মুসলিমকে অবশ্যই জুমার নামাজ গুরুত্বসহ পড়া উচিত। হাদিসে প্রত্যেকে প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির জন্য জুমার আবশ্যক।

হজরত হাফসা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জুমার নামাজ আদায় করা ওয়াজিব তথা অপরিহার্য কর্তব্য। (নাসাঈ)

আবার জুমার নামাজ ছেড়ে দেয়া মারাত্মক অপরাধ। আল্লাহর বিধানের লঙ্ঘন। কেননা জুমার নামাজ পড়া আল্লাহর নির্দেশ। যারা এ নামাজ ছেড়ে দেয়, তাদের প্রসঙ্গে হাদিসের ভয়বাহ অপরাধ ও শাস্তির কথা বর্ণনা করা হয়েছে। 

হাদিসে এসেছে- রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি অবহেলা ও অলসতা করে পর পর তিন জুমার নামাজ ছেড়ে দেবে, মহান আল্লাহ তার অন্তরে মোহর মেরে দেবেন। (আবু দাউদ)

তবে কেউ জুমার দিন কোনো কারণে জুমার নামাজ না পায় বা মসজিদে গিয়ে দেখে জুমার নামাজ শেষ হয়ে গেছে তবে ঐ ব্যক্তি জোহরের চার রাকাত নামাজ পড়ে নেবে। কারণ জামাত ছাড়া একা একা জুমা নামাজ পড়া যায় না। জুমার নামাজ বিশুদ্ধ হওয়ার জন্য ইমাম ছাড়া তিনজন উপস্থিত থাকতে হয়। 

হজরত ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যে ব্যক্তি জুমআর এক রাকাত পেয়ে যায়, সে ব্যক্তি যেন আর এক রাকাত পড়ে নেয়। তবে যে (দ্বিতীয় রাকআতের) রুকূ না পায়, সে যেন জোহরের চার রাকাত পড়ে নেয়। (তাবারানি, বায়হাকি, মুসান্নেফে ইবনে আবি শায়বা)।

মন্তব্য করুন: